ধর্ম কথা

ধর্মের মার্গ না আধ্যাত্মিকতার মার্গ, কোনটা কার্যকারী এবং কোনটায় যাওয়া উচিত?

ধর্মের মার্গ না আধ্যাত্মিকতার মার্গ, কোনটা কার্যকারী এবং কোনটায় যাওয়া উচিত?

ধর্মের মার্গ না আধ্যাত্মিকতার মার্গ, কোনটা কার্যকারী এবং কোনটায় যাওয়া উচিত?

                                                                       --  একতা দেব

 

মানুষের দেহের অধিকাংশ অংশই অজানা এবং সেই অজানা কারণেই, হয়তো আমরা মানুষেরা অত্যন্ত বিস্ময়ের সাথে সেটা বলতে পারি আজও , যে আমরা এত কিছু জানার পরেও নিজের সম্বন্ধে কিছুই  জ্ঞাত না ।।

আমি হয়তো আমার পাঠকদের  সেইরকম তথ্য দিতে সক্ষম হতে পারবনা বা হয়তো আমার তথ্যে সেইরকম মনোরঞ্জক বা বিষয়কর কথাআমার পাঠকেরা খুঁজে পাবেন নাকিন্তু তবুও আমি আমার এই অল্প বয়সের এক্সপেরিয়েন্স, বলতে পারেন , বা হয়ত বলতে পারেনআমার নিজের এক অবিশ্বাস্য অনুভূতিরদাঁড়া বলতে পারব আজ , যে মহাসমাধি পাওয়া কোন অবাস্তব কিছু বা অস্বাভাবিক কিছু নয়।। 

যে কোনো মানুষই তার নিজের জীবনে ঘটিত কোন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, যেটা হয়তো তারা বলেন  যে অবিশ্বাস্যনিও বা অবাস্তবায়িত কোন মানসিক দিলিউশন বা প্যেরানইয়াতবুও আমি আজকে আমার পাঠকদের কিছু অল্প কথায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে চাইছি এবং সেটা বলতে চাইছি যে আপনারা যদি সেই রাস্তায় খানিকটা অগ্রসর হন তাহলে হয়তো সেই ঘটনা অজানাঅচেনা , অবাস্তবিক , দিলিউশানাল প্যারানইয়া না বলে একটা অত্যন্ত আধ্যাত্মিক অনুভূতির মূল্যায়ন করতে সক্ষম হবেন

আমার লেখা আজকে হয়তো পুরোটা বিষয় নিয়ে প্রকাশিত হবে নাকিন্তু আমি আশা করব আমার

 

পাঠকদের কিছু বক্তব্য বা প্রশ্ন এবং কিছু ইচ্ছে যেটা আমার লিখতে বা পাঠকদের বলতে অনুপ্রেরণা দেবে এবং আমার সঙ্গে - সঙ্গে আমার পাঠকদের জ্ঞান অর্জন করতে সক্ষম হবে

আমি আজকের এই বক্তব্যের প্রথম অধ্যায়ে আমাদের দেহে 72 হাজার নাড়ি,  112 টি শক্তিচক্র এবং সাতটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চক্র কে নিয়ে বলতে চাই।।

আমাদের দেহে 72 হাজার নাড়ি বা যেটাকে বলে হিউম্যান সাইন্সে, নার্ভ আছেএবং সেই নাড়ি গুলোকে এনার্জি নার্ভবাংলায় শক্তি নাড়ি হিসেবে পরিচিত।। 

আমাদের দেহে 112 টি শক্তিচক্র আছে যে চক্রটিকে, এনার্জি সার্কেল বা শক্তিবৃত্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।।

আমাদের দেহে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ বলতে গেলে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চক্র আছে যেটা আমাদের স্পাইনাল কর্ড, মানে মেরুদন্ডে থাকে।। 

সেই চক্র গুলোর নাম হচ্ছে মূলাধার চক্র, স্বাধিষ্ঠান চক্র, মনিপুর চক্র, অনাহত চক্র, বিশুদ্ধী চক্র, অগনা চক্র, এবং সহসারক চক্র।। 

 

এই চক্রগুলো আমাদের স্পাইনাল কর্ডে থাকা তিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নাড়ি যথা ইড়া, পিঙ্গলা, সূস্মনা হইতে সুষুম্নার মধ্যে স্থিত।।

আমি ইড়া, পিঙ্গলা, সুস্মনা নিয়ে যেটা বলতে চাই সেটা হচ্ছে আমাদের দেহে এনার্জি বা শক্তি যেই দিকে প্রবাহিত হচ্ছেআর ধুঁকছে বা বেরোচ্ছেসেগুলো ইড়া পিঙ্গলা দিয়ে পরিচালিত হয়।। 

 

কিরকম শক্তি আমাদের মধ্যে ঢুকবে বা বেড়োবে , বা কতটা আমাদের মধ্যে থাকবেসেটা নির্ধারণ করেসুষুম্নার মধ্যে স্থিত সেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শক্তি চক্রে

 

প্রত্যেকটা মানুষের শরীরে একই মাত্রায়, এই চক্রগুলো এবং নাড়িগুলো এবং তার  স্থান নির্ধারিত থাকে

 

 অধিকাংশ সময়েই আমাদের এই চক্র বা নাড়ি সুপ্ত থাকে এবং মৃত্যুর আগেও হয়তো আমরা তাকে তেজস্বী করতে বা জাগ্রত করতে , সক্ষম হই না 

 

 

কিন্তু মেডিটেশন বা  ধ্যান করে, সেই চক্রগুলো এবং নাড়ি গুলোকে তেজস্বী এবং কার্যকরীইংলিশে বলে অ্যাক্টিভেটেড করা যায়।। 

কোন কোন সময় আমাদের আগের জন্মের সংস্কারের কারনেওসেগুলো অনেকটা তেজস্বী বা কার্যকারী হয়ে থাকে

 

আমি আমার আজকের লেখায় এই গুলোকে কি করে এক্টিভেট করা যায় বা এক্টিভেট করলে সেই চক্রগুলোর কি হয় বা সেই চক্রগুলোর কার্য কি বা কি ধরনের শক্তি আমাদের দিতে পারে সেটা নিয়ে চর্চা করবো না।।

আমি আশা করব আমার পাঠকদের মন্তব্য এবং প্রশ্ন জানতে এবং চাইবো যে ওরা আমাকে আরো অনুপ্রেরণা দিকআমার এই ছোট্ট কাজটিকে এবং এটাকে অগ্রগতির পথে নিয়ে যাবার চেষ্টা করান

 

এখন আপনারা জিজ্ঞেস করবেন যে আজকের চর্চার বিষয়টা কি ? এবং আমি আজকের বিষয়ে কতটা গুরুত্বপূর্ণ কথা বলতে ইচ্ছুক

 

আজকের চর্চার বিষয় হচ্ছেধর্ম এবং আধ্যাত্মিকতা কে নিয়ে 

 

আমাদের মনে অনেক সময়ই কিছু প্রশ্ন বা সংষোয় উঠে থাকে যেগুলো আমরা চিরকাল উত্তর খুঁজেছি, আজও খুজঁছি এবং ভবিষ্যতেও খুজঁবো 

সে প্রশ্ন গুলোর মধ্যে নিম্নলিখিত পাঁচ প্রশ্নটিই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং চর্চিত:-

() ধর্ম এবং আধ্যাত্মিকতা কি?  

() ধর্মের আর আধ্যাত্মিকতার মধ্যে কি কোন তফাৎ আছে

() ধর্মের মার্গ না আধ্যাত্মিকতার মার্গ, কোনটা কার্যকারী এবং কোনটায় যাওয়া উচিত?

() ধর্মের না আধ্যাত্মিকতার মার্গ , কোনটা সহজ আর কোনটা আপনারা নিজের জন্য বেছে নেবেন

() ধর্মেই হোক বা আধ্যাত্মিকতা, দুটোর মধ্যে কোনোটাকেই অভ্যাস করতে গেলে কি সংসার ত্যেগ করতে হয়

 

আমি এই পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর একসাথে দিতে চাই কারণ এই পাঁচটি প্রশ্ন শুধু প্রশ্ন নয় , একটা মনের সংশয় এবং ধারণা, যেটা আলাদা করে উত্তর দিলে, আসল মানেটা  এখানে দাড়ায় না

 

সবথেকে প্রথম আমি বলব  ধর্ম আর আধ্যাত্মিকতা কে নিয়েযে ধর্ম মানেই পূজা , অর্চনা বা অন্ধবিশ্বাস নয় আর আধ্যাতিকতায় কোন ধর্ম পালিত হয় না 

 

ধর্মের  যদিও কোন শেষ নেই কিন্তু শুরু আছে আর আধ্যাতিকতায় শুরু বা শেষ উর্ফে আদি বা অন্ত নেই ধর্ম বা ইংরেজিতে যেটাকে রিলিজন বলে তার পথ অনেকটাই সহজ আর  সোজা, কিন্তু আধ্যাত্মিকতা যেটা কে ইংরেজিতে বলে স্পিরিচুয়ালিটি , তার পথ ততটাই কঠিন আর ব্যতিক্রম

 

যদি আমরা আজকে ধর্মকে, কোন পুজো , অর্চনা, ভগবানের কোন আকার বা নিরাকার রূপ দিয়ে ব্যক্ত করতে চাইতাহলে জাতিভেদ , মতভেদ এবং রীতি নীতিভেদের  বহিঃপ্রকাশ, পৃথিবীতে এতটাই হয়েছে বা বাড়ছে , যে  আশা করি, সেই গুলোর মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন

 

কিন্তু যদি আমরা ধর্মকে, প্রকৃতির রীতিনীতি ভ্রমান্ডের ইচ্ছে অনিচ্ছেসংস্কারবিহীনকোন অন্ধবিশ্বাসে না বিশ্বাস করে, সত্য বলা , সঠিক করা , অহিংসা এবং দুষ্কর্ম হইতে বিরোধ নিষ্পত্তির অপেক্ষায় প্রত্যাখ্যান করা, বলে মানি তাহলে সেই ধর্ম হচ্ছে মানব ধর্ম এবং সেই মানব ধর্ম , হিন্দুবৌদ্ধজৈনখ্রিস্টান, ইসলাম, শীখ্ , পারশি্, হইতে অনেক-অনেক উপরে 

 

সেই ধর্মকে পালন করলে হয়তো আজকে আমরা ধর্মের জন্য যে যুদ্ধ  বা রক্তপাত করি সেটা হয়তো অনেক আগেই বন্ধ হয়ে যেত 

 

আমরা ধর্মকে বেদ উপনিষদের পরে রূপান্তরিত করেছিলাম এবং তখন থেকেই আমাদের ধর্মের পতন শুরু হয় আমাদের বেদ, উপনিষদ এর আগে অদ্বৈত জ্ঞানে যখন আমরা মানব ধর্ম হইতে মহো-মায়া ত্যাগ করেজীবন নির্ধারিত করতাম তখন আমরা আধ্যাত্মিকতার পথে  চলতাম

 

যে সময় থেকে ধর্মকে আমরা রূপান্বিত করেছি এবং আমাদের ধর্মের পতন শুরু হয়েছিল, তখন থেকেই আমাদের জীবন থেকে আধ্যাত্মিকতা বিলীন হয়ে গেছে

 

আমি আশা করব যতটুক সংক্ষিপ্ত ভাবে আমি ধর্ম আর আধ্যাত্মিকতাকে এখানে ব্যক্ত করতে পারি ততটুকু করতেকারণ যেই শব্দ দুটো আমি বলছি, সেই শব্দ দুটো যতটা জনপ্রিয় ততটা বৃহৎ তার পরিভাষা 

প্রত্যেকটি ধর্ম এবং তার সৃষ্টি বেদ উপনিষদে, অদ্বৈত জ্ঞান সম্পর্কে আমি অন্য কোন রচনায় বৃহৎ ভাবে বর্ণনা করব 

 

তাই ধর্মের আর আধ্যাত্মিকতার পথটা অত্যন্ত ব্যতিক্রম সেটার ধারণা হয়তো কিছুটা হলে আমার পাঠকরা এই রচনায় পেয়েছেন আর তার পুরো বর্ণনা আমি আমার পরবর্তী রচনাগুলোর মধ্যে কোন একটিতে নিশ্চয়ই লিখব 

 

তিন নম্বর প্রশ্নের উত্তর আমি নিশ্চয়ই কোন সাধু বাবা, সন্তমোহন্তমহারাজ বা আখঔড়া বাবাদের মত করে নিশ্চয়ই দেব না 

ধর্ম এমন একটা বিষয় যেটার মধ্যে  রোজগারের পয়সা নষ্ট করা আর রোজগার করে পয়সা কামানো অত্যন্ত পরিচালিত এবং যুগ-যুগান্তরের খেলা  অন্ধবিশ্বাসী কিন্তু অতি জ্ঞানী মানুষদের বোকা বানিয়ে, ধর্ম কি করে করা যায়এই পৃথিবী আমাদের সকলকে খুব ভালো দেখিয়েছে এবং করিয়েছে

কিন্তু আমার পাঠকেরা সেটা কোনদিনই মনে করবেন না যে আমি কোন ধর্ম বিরোধী বা আধ্যাত্মিক কোন কবি বা লেখকিকা 

 

আমি মেটাফিজিক্যাল সাইন্সেস বা প্যারানরমাল সাইন্সেস যেটা বাংলায় ভূত বিদ্যা বলে সেটা দিয়ে আমি আপনাদের এই প্রশ্নের উত্তর দিতে চাই যদিও পুরোটা উত্তর আমি এই রচনায় নিবীদ্ধ করবো না 

 

কোন মানুষের ধর্ম করা উচিত আর কোন মানুষের আধ্যাত্মিকতা করা উচিত, সেটা নির্ধারণ করেতাদের ইড়া, পিঙ্গলার শক্তি প্রবাহনের পথ এবং তাদের চক্রগুলোর শক্তি ধারণ করার ক্ষমতা 

আমাদের বৈদিক শাস্ত্রে বা বৈদিক অ্যাস্ট্রোলজি তে, নদী বলে একটি জন্মের কুণ্ডলীতে উল্লেখ থাকেযেখানে আমাদের নদীতে , কোন সময় আদি বা অন্ত বা মধ্যয়া, বলা হয় 

যদি আমাদের আদি নামক নদী থাকে তাহলে আমাদের শরীরে শক্তি ওপর দিকে প্রবাহিত হয় যেটা পিঙ্গলা দিয়ে প্রবাহিত হয় পিঙ্গলার শক্তি হচ্ছে একটি পুরুষালী শক্তি এবং সেটি সোলার প্লেক্সাস এর দিকেবা সোলার এনার্জি কে প্রবাহিত করে, আর সেটি উপর দিকে যায় সেইরকম মানুষের আধ্যাত্মিকতা কে বেছে নেওয়া উচিত 

যদি আমাদের অন্ত নামক নদী থাকে তাহলে আমাদের শরীরে শক্তি নিচের দিকে প্রবাহিত হয় যেটা ইড়া দিয়ে প্রবাহিত হয় , এই শক্তি হচ্ছে একটি নারী শক্তি এবং সেটি লুনার এনার্জিকে প্রবাহিত করে , আর সেটি নিচের দিকে যায়সেরকম মানুষের ধর্ম কে বেছে নেওয়া উচিত 

 

যদি আমাদের মধ্যয়া নামক নদী থাকে তাহলে আমাদের শরীরে শক্তি অত্যন্ত সমতরল বা বেলেন্সদ্  সেই রকম মানুষ আধ্যাত্মিকতা বা ধর্ম যে কোনোটাতেই বেছে নিতে পারে, কিন্তু তখন তাদের সুষুম্নাকে অত্যন্ত মনঃসংযোগ তেজস্বী রাখা দরকার এবং সেখানে একটি কুণ্ডলিনী সাইকোসিস হবার প্রবল সংযোগ থেকে থাকে 

 

এই প্রত্যেকটা কথার ব্যাখ্যা এখানে নিশ্চয়ই সম্ভব নয় আর আশা করব আমার পাঠকেরা কোন ব্যাপারে কতটা জানতে চান সেটা আমায় কমেন্ট বক্স লিখবেন আর আমাকে সেই লেখার জন্য নিশ্চয়ই অনুপ্রেরণা দেবেন 

 

চৌঠা  প্রশ্নের উত্তর আমি আমার  পাঠকদের কাছের থেকে হয়তো আশা করব, ওদের মতামতকারণ ওরা হয়তো ইতিমধ্যে বুঝে গেছেন যে ধর্ম হোক বা আধ্যাত্মিকতা কোনটাই সহজ নয় আর যদি সঠিক পথে সঠিক ভাবে করা হয় , আর সৎ পথে কোন কাজ, কর্ম, ধর্ম করলে সেটা নিষ্ফল দেবার মত নয় 

 

কারণ গীতায় বলেছে, শঙ্খ যোগ( দ্বিতীয় অধ্যায়ঃ ৪৭ )

কর্মণ্যেবাধিকারস্তে ,

মা ফলেষু কদাচিৎ

মা কর্মফলেহ হেতুর্ভূমার্তে ,

 তে সংগৎসহা অকরমানি।। 

 

পঞ্চম প্রশ্নের উত্তর আমি এটা দেবো যে এই পৃথিবীতে সঠিক বা ভুল, দোষ বা গুণ, পাপ বা পূণ্য সবই মানুষের দেয়া নাম আর তার প্রভাব কোনটাই মানুষের ভাগ্যে বা কর্মে প্রকাশ পায়না 

মানুষ যেমন কর্ম করেন তেমনি তাহার ফল পান লাল কিতাব নামক একটি গ্রন্থে বলা হয় কার্মিক দেব্ত্ত তাই মানুষ সংসারে থাকুক বা সংসারে না থাকুক, শারীরিক সম্পর্ক করুক বা না করুক, সেটার ফলস্বরুপ যে তার ধর্ম বা আধ্যাত্মিকতা সফল হবে না বা হবে, তার কোথাও কোন ভাবে ব্যাখ্যা কোন প্রসিদ্ধ গ্রন্থে লেখা নেই , আর মানুষের মহো মায়া যদি কোন সম্পর্কে বা সংসারে না থাকে, তবুও যদি সেটি সে পালন করে তাহলে তার আধ্যাত্মিকতা বা ধর্ম আরও বৃহত্তর ভাবে সফলতার শিখরে উঠতে পারবে 

 

আজ আমি এখানে আমার বক্তব্য আর প্রথম রচনা, ধর্ম বা আধ্যাত্মিকতা কে নিয়ে লিখলাম আর আমার পাঠকদের মন্তব্য বা কমেন্ট, শেয়ার লাইক এর জন্য অবশ্যই আশা রাখব এবং তাদের প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে চেষ্টা করব  আমি আশা করব, আপনারা আমার আগামী লেখার জন্য অপেক্ষায় থাকবেন 

 

 

 

NewsDesk - 2

aappublication@gmail.com

Newsbazar24 Reporter

Post your comments about this news