স্বাস্থ্য

কি ভাবে বুঝবেন আপনার কিডনিতে পাথর হয়েছে ? কিডনিতে পাথর প্রতিরোধের উপায় ?

কি ভাবে বুঝবেন আপনার কিডনিতে পাথর হয়েছে ?  কিডনিতে পাথর প্রতিরোধের উপায় ?

কি ভাবে বুঝবেন আপনার কিডনিতে পাথর হয়েছে ?  কিডনিতে পাথর প্রতিরোধের উপায় ?

কঠিন পদার্থ জমা হয়ে কিডনিতে পাথর হয়। সাধারণত কিডনির পাথরগুলো আকারে খুব ছোট হয়ে থাকে। কিডনিতে নানা কারণে পাথর হতে পারে। খনিজ পদার্থ, অম্ল ও লবণের মিশ্রণে কিডনির পাথর তৈরি হয়। প্রস্রাব ঘনিভূত হয়ে খনিজ পদার্থগুলো দানা বাঁধে এরপর সেগুলো পাথরে রূপান্তরিত হয়।

কিন্তু কিডনির নানা সমস্যা বিশেষ করে রেনাল স্টোনে আক্রান্ত হওয়া মানুষের সংখ্যা নেহাত কম নয়। আধুনিক জীবনযাপন, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস ইত্যাদি রেনাল স্টোনের অন্যতম কারণ।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, কিডনিতে পাথর কটি আছে এবং কোথায়, কেমন অবস্থায় রয়েছে এগুলির উপরই এই অসুখের উপসর্গ নির্ভর করে। পাথর নানা আকারের হয়। সাধারণত, পাথরের সংখ্যা কম ও আকার খুব ছোট হলে তা কোনো রকম উপসর্গ ছাড়াই শরীরে থেকে যেতে পারে।

ওষুধের মাধ্যমে তা গলিয়ে দেয়া বা শরীরের বাইরে বার করে দেয়ার চেষ্টাও করা হয়। কিন্তু সংখ্যায় বেশি বা আকারে বড় হলে তা কিছু লক্ষণ প্রকাশ করে বইকি। তখন অস্ত্রোপচারের প্রয়োজনও পড়ে।রেনাল স্টোনে তলপেট থেকে ব্যথা ছড়ায় কোমরেও।

কিডনিতে পাথর প্রতিরোধের উপায় ঃ-

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মতে, কিছু বিশেষ নিয়মকানুন মেনে চললে রেনাল স্টোনের সমস্যা এড়ানো যায়।

# জল তো তো খেতেই হবে, কিন্তু প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়া কোনো স্বাস্থ্যকর লক্ষণ নয়। বরং শরীরের প্রয়োজন বুঝে, চাহিদা জেনে সেই অনুযায়ী জল খান। এতে কিডনি ভালো খাকবে।

# এমন কোনো ডায়েটের উপর নির্ভর করবেন না, যেখানে ক্যালশিয়ামের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার থাকে। অতিরিক্ত দুধ বা দুগ্ধজাত দ্রব্য গ্রহণে রেনাল স্টোনের সম্ভাবনা বাড়ে।

##  প্রায়ই  মূত্রথলিতে বা প্রস্রাবে ইনফেকশন হয়? তা হলে প্রথম থেকে সতর্ক হয়ে চিকিৎসা করান।

এ সব সাধারণ কিছু নিয়ম মেনে চললে রেনাল স্টোনের ভয় অনেকটা কমে। কিন্তু এই অসুখ শরীরে বাসা বাঁধলেও অনেকেই প্রথম অবস্থায় বুঝে উঠতে পারেন না। সাধারণত, কিডনির জটিলতার নানা উপসর্গই এই রোগের ক্ষেত্রেও লক্ষণ হিসাবে দেখা দেয়। দেখে নিন কোন কোন উপসর্গ দেখলে এই অসুখ নিয়ে সচেতন হওয়া জরুরি।

কিডনিতে পাথরের উপসর্গ ঃ-

#অনেকেরই এই অসুখের হাত ধরে ঘন ঘন জ্বর আসে। তাপমাত্রা অল্প থাকলেও বার বার ঘুরেফিরে এমন জ্বর এলে সাবধান হোন।

# মূত্রের রঙের দিকে খেয়াল রাখুন। যদি লালচে রঙের প্রস্রাব হয়, তা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কিডনির অন্যান্য জটিলতাতেও প্রস্রাবের রং লালচে হতে পারে।

# কোমর থেকে তলপেটে ব্যথা ছড়িয়ে পড়তে পারে। এই ব্যথা যে সকলের ক্ষেত্রে স্থায়ী হবে এমন নয়। তাই মাঝে মাঝে এমন ব্যথা হলেও সতর্ক হোন।

# বমি হওয়ার আশঙ্কাও থেকে যায়। বমিভাবও থাকে অনেকের।
এ সব লক্ষণ দেখলে রেনাল স্টোন ও কিডনির যেকোনো জটিলতা বোঝার জন্য নির্দিষ্ট পরীক্ষাগুলো করিয়ে নিন ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

 

Shankar Chakraborty

aappublication@gmail.com

Editor of AAP publicaltions

Post your comments about this news