সারা ভারত

কার্গিল যুদ্ধ ভারতের জয় আসলে দেশের শক্তি, ধৈর্য, একতা আর সাহসিকতার প্রতীক।

কার্গিল যুদ্ধ ভারতের জয় আসলে দেশের শক্তি, ধৈর্য, একতা আর সাহসিকতার প্রতীক।

Newsbazar24. ডেস্ক, ২৭ জুলাই;  গতকাল মহাসমারোহে  পালিত হয়েছে ২০ তম  কার্গিল বিজয় দিবস তার ঠিক একদিন পরে অর্থাৎ, আজ নিহত সেনাদের শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মোদির মতে, ১৯৯৯-এর  এই যুদ্ধ অবিস্মরণীয়। ভারত-পাকিস্তানের এই যুদ্ধ আজও অনুপ্রাণিত করে ভারতীয় সেনাদের। দিল্লিতে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথাই বলেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর দাবি, কার্গিল যুদ্ধে ভারতের জয় আসলে দেশের শক্তি, ধৈর্য, একতা আর সাহসিকতার প্রতীক। 

শুক্রবার, শহিদ বেদিতে গিয়ে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন এই জয় সেই সব সেনাদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত, যাঁরা দেশের জন্য হাসতে হাসতে প্রাণ দিয়েছেন। তাই এই দিন কার্গিল বিজয় দিবস।  দিনটিকে স্মরণীয় করতে প্রশাসন এবং কেন্দ্র থেকে এর নাম দেওয়া হয়েছে "অপারেশন বিজয়" ১৯৯৯ সালের এই দিনে জম্মু-কাশ্মীর অধীকৃত কার্গিল সীমান্তে মুখোমুখি যুদ্ধে নেমেছিল ভারত ও পাকিস্থান

কার্গিলের শহীদদের শ্রদ্ধা  জানাতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্যালুট জানাই  সেইসব জোয়ানদের যাঁরা ২০ বছর আগে দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছিলেন মায়েদের জানাই  প্রণাম, যাঁরা ঘরের ছেলেকে দেশের সুরক্ষায়  পাঠিয়েছেন তাঁদের রক্ত, প্রাণদান বৃথা যাবে না। শুধু সরকার নয়, যুদ্ধে গোটা দেশ লড়ে। তাই কার্গিল যুদ্ধ ২০ বছর পরেও ভারতীয় সেনাবাহিনির অনুপ্রেরণা অটল বিহারী বাজপেয়ীজি শান্তির কথা বলেছিলেন সেই সমযের পাক প্রধানমন্ত্রীকে। আমাদের দেশের ঐতিহ্যই হল শান্তির আহ্বান। আমিও সেই ধারা বজায় রাখার চেষ্টা করব ২০১৪- শপথ নেওয়ার পর নিজে গিয়ে দেখে এসেছি ভারতীয় সেনারা অসম সাহসিকতায় মোকাহিলা করছে শত্রুবাহিনির

পরে আমরা কার্গিল সীমান্তে অবস্থিত গ্রাম গ্রামবাসীদের সরিয়ে নিয়ে এসেছি অন্যত্র। যাতে যুদ্ধ আর সেখানকার অধিবাসীদের জীবন বিপর্যস্ত করতে না পারে। গত পাঁচ বছরে নিহত সৈনিকদের পরিবারকে সাহায্য করতে আমরা ট্রাস্ট গড়েছি। জওয়ানদের জন্য বিভিন্ন স্কিম যেমন ওয়ান র্যাঙ্ক, ওয়ান পজিশন স্কিম চালু করেছি ২০ বছর আগে বরফে ঢাকা কার্গিল প্রান্তরে গর্জে উঠেছিল ৫০০ সৈনিকের কণ্ঠস্বর, ইয়ে দিল মাঙ্গে মোর! কার জন্য? নিজের জন্য নয়, নিজের পরিবারের জন্য নয়, গোটা দেশের জন্য। 

এদিন প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, নিরাপত্তার প্রশ্নে তার সরকার কোনও আপোশ করবে না সন্ত্রাসবাদ যেভাবে  বাড়ছে, তার জবাব দিতে তৈরি ভারত ভারতীয় সেনাবাহিনী আরও অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হচ্ছে ভারতের শক্তি আরও বাড়ছে তাই সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করাই ভারতের মূল লক্ষ্য এদিন দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী স্টেডিয়ামে জওয়ানরা তাঁদের বীরগাথার প্রদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতিতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর বীরত্বের উপর একটি ছবির প্রদর্শনীও হয় তারপরই প্রধানমন্ত্রী তাঁক বক্তব্য পেশ করেন কারগিল দিবসের ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে তাঁদের সেই রক্ত, প্রাণদান বৃথা হতে দেব না

Shankar Chakraborty

aappublication@gmail.com

Editor of AAP publicaltions

Post your comments about this news