বাবরি ইস্যুতে অমিত শাহের মন্তব্য
বাবরি মসজিদ নিয়ে শাহের কড়া হুঁশিয়ারি
এদিনের জনসভায় অমিত শাহের বক্তব্যের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু ছিল রাম মন্দির এবং অযোধ্যা ইস্যু। বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে তিনি সাফ জানান, “বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে কোনোভাবেই বাবরি মসজিদ হবে না।” তিনি আরও বলেন, বাংলার মানুষ এবার পরিবর্তন আনতে চলেছে এবং বিজেপি সরকার গড়া এখন সময়ের অপেক্ষা। তাঁর এই মন্তব্যকে ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মেরুকরণের চাল হিসেবে দেখছে রাজনৈতিক মহল।
আরও পড়ুন-মালদহে আরও ১৭০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী! সিভিকদের উর্দি পরায় নিষেধাজ্ঞা
হুমায়ুন কবীরের ভাইরাল ভিডিও: ‘পরিকল্পিত চিত্রনাট্য’
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের একটি ভিডিও নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। সেই ভিডিওতে হুমায়ুনকে বিজেপি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা এবং বিপুল অর্থের লেনদেন নিয়ে কথা বলতে শোনা গিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তৃণমূল একে ‘বিজেপির সঙ্গে গোপন আঁতাঁত’ বললেও, অমিত শাহ আজ গঙ্গারামপুর থেকে পালটা তোপ দাগলেন। তাঁর সাফ দাবি:
হুমায়ুন কবীর আসলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরই একজন ‘এজেন্ট’।
বিজেপিকে বদনাম করতে এবং ভোটারদের বিভ্রান্ত করতে এই ভিডিওটি একটি ‘পরিকল্পিত চিত্রনাট্য’ মাত্র।
শাহের মতে, তৃণমূল ভয় পেয়ে এই ধরণের ভিডিও সাজিয়ে ভোটারদের মনে সংশয় তৈরি করার চেষ্টা করছে।
ভোটের মুখে ‘স্টিং বনাম তোপ’
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে স্টিং অপারেশনের মাধ্যমে তৃণমূলকে কোণঠাসা করার চেষ্টা এবং অন্যদিকে শাহের কড়া হিন্দুত্ববাদী বার্তা—এই দ্বিমুখী কৌশলে বিজেপি নির্বাচনের লড়াইকে আরও উত্তপ্ত করে তুলল। শায়ের এই ‘বাবরি’ মন্তব্য নিয়ে তৃণমূল শিবির কী প্রতিক্রিয়া দেয়, এখন সেটাই দেখার।
কী বলছে রাজনৈতিক মহল?
বিশেষজ্ঞদের মতে-
- এই ধরনের মন্তব্য ভোটারদের মেরুকরণে বড় ভূমিকা নিতে পারে
- তৃণমূল কীভাবে পালটা জবাব দেয়, সেটাই এখন গুরুত্বপূর্ণ



