ইউনিয়ন বাজেট ২০২৬-২৭: রেল বাজেটে বড় বাড়তির সম্ভাবনা কম, কেন জানালেন আধিকারিকরা
আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ আর্থিক বছর ২০২৬-২৭-এর জন্য কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বাজেট ঘিরে দেশজুড়ে জল্পনা থাকলেও, এবার রেল বাজেটে বড় অঙ্কের বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
ইউনিয়ন বাজেট ২০২৬-২৭-এ ভারতীয় রেল-এর জন্য বরাদ্দ গ্রস বাজেটারি সাপোর্ট (GBS)-এ বড় কোনও পরিবর্তন নাও হতে পারে। আধিকারিকদের মতে, এর মূল কারণ হল—রেলের কাছে ইতিমধ্যেই পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য পর্যাপ্ত তহবিল মজুত রয়েছে।
১ কোটি ৩৬ লক্ষের প্রশ্নে নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের, যাচ্ছেন দিল্লি
আগের বরাদ্দের ৭৭ শতাংশ ইতিমধ্যেই খরচ
বর্তমান অর্থবর্ষে রেলের জন্য বরাদ্দ করা GBS ছিল ২.৫২ লক্ষ কোটি টাকা। এর পাশাপাশি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) প্রকল্প ও এক্সট্রা বাজেটারি রিসোর্স (EBR) মারফত আরও ১০,০০০ কোটি টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।
একটি সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক শীর্ষ রেল আধিকারিক জানান,
“ভারতীয় রেল ইতিমধ্যেই মোট বরাদ্দের ৭৭ শতাংশ ব্যবহার করে ফেলেছে। চলতি অর্থবর্ষের ১ এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ১.৯৫ লক্ষ কোটি টাকা মূলধনী খাতে খরচ হয়েছে।”
দীঘায় পুলিশের পক্ষ থেকে পর্যটকদের জন্য বিশেষ হেল্পলাইন নাম্বার
বড় নেটওয়ার্ক আপগ্রেড প্রায় শেষ
আর এক আধিকারিকের মতে, আগামী দিনে বাজেট সহায়তা বড় মাত্রায় বাড়ানোর প্রয়োজন নাও হতে পারে। কারণ, রেলের বহু বড় পরিকাঠামো প্রকল্প ইতিমধ্যেই শেষের পথে।
তিনি জানান,
“রেলের ৯৯.২ শতাংশের বেশি ইলেকট্রিফিকেশন সম্পন্ন হয়েছে। প্রায় ৬৯,৪০০ রুট কিলোমিটার রেল নেটওয়ার্ক বিদ্যুতায়নের আওতায় চলে এসেছে।”
কোথায় খরচ হয় রেলের বাজেট
রেলের বাজেটারি অনুদান মূলত ব্যবহৃত হয়—
নতুন রেললাইন বসানো
বিদ্যমান রুটে মাল্টি-ট্র্যাকিং
ব্রড-গেজ নেটওয়ার্কে ইলেকট্রিফিকেশন
কোচ, ওয়াগন ও লোকোমোটিভ কেনার মতো রোলিং স্টক উন্নয়নে
এই সব ক্ষেত্রেই ইতিমধ্যেই উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে জানাচ্ছেন আধিকারিকরা।
কী ইঙ্গিত দিচ্ছে বাজেটের ছবি
সব মিলিয়ে, ইউনিয়ন বাজেট ২০২৬-২৭-এ রেল খাতে বরাদ্দ স্থিতিশীল থাকলেও, পরিকাঠামো উন্নয়নের গতি যে থমকে যাবে না, সে ইঙ্গিতই মিলছে। সরকারের লক্ষ্য আপাতত নতুন বরাদ্দ বাড়ানোর চেয়ে, আগের বরাদ্দের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা।





