Newsbazar24:গুজরাটের আমেদাবাদের ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় চোখে জল এনে দেওয়া আরও এক কাহিনী সামনে এসেছে।
আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে রাজস্থানের বাঁশওয়ারা জেলার এক চিকিৎসক পরিবারের। বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ডাঃ প্রতীক যোশী, তাঁর স্ত্রী ডাঃ কোমি এবং তাঁদের তিন শিশু সন্তান।
পুরো পরিবার এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট AI171-এ চেপে লন্ডন যাচ্ছিল, উড়ানের কিছুক্ষণের মধ্যেই ভেঙে পড়ে বিমানটি। মুহূর্তেই নিঃশেষ হয়ে যায় স্বপ্ন।লন্ডনে নতুন জীবন শুরু হওয়ার আগেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন সকলেই।
ডাঃ প্রতীক যোশী, উদয়পুরের প্যাসিফিক মেডিকেল কলেজে কর্মরত ছিলেন। সদ্য চাকরি ছেড়ে লন্ডনের একটি মেডিকেল ইনস্টিটিউটে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী ডাঃ কোমি ও তিন সন্তান। দম্পতির চোখে ছিল নতুন ভাবে জীবনকে সাজিয়ে নেওয়ার স্বপ্ন। আহমেদাবাদের ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা সেই স্বপ্ন চিরতরে কেড়ে নিল।
ডাঃ প্রতীকের বাবা-মা, যাঁরা বাঁশওয়ারারই বাসিন্দা এবং নিজেরাও ডাক্তার, তাঁরা সন্তান ও নাতিদের বিদায় জানাতে আহমেদাবাদে গিয়েছিলেন। দুর্ঘটনার পর তারা আর কেউ কথা বলার মত পরিস্থিতিতে নেই। ডাঃ প্রতীক ও তাঁর পরিবার লন্ডনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন অনেক দিন ধরেই। কিন্তু সন্তানদের ভিসা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে তাঁরা প্রায় দু মাস দেরিতে যাত্রা করেন। পরিবারের কেউই ভাবতে পারেননি এই যাত্রাই তাঁদের জীবনের শেষ যাত্রা।
প্যাসিফিক হাসপাতালের চেয়ারম্যান আশীষ আগরওয়াল জানান, দুর্ঘটনার দুই দিন আগেই ডাঃ কোমি হাসপাতালের সহকর্মীদের সঙ্গে দেখা করে বলেছিলেন, “লন্ডনে যাচ্ছি, নতুন জীবন শুরু করতে চলেছি।” কেউ কল্পনাও করতে পারেনি সেটাই তাঁদের শেষ দেখা হবে।
আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনায় প্রিয়জনকে হারিয়েছেন এমন প্রতিটি পরিবারের এক-একটি আবেগঘন কাহিনী আপনাকে কাঁদিয়ে দেবে।





