Newsbazar24:রক্তাক্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। যাদবপুরে ওয়েবকুপার বৈঠকে গিয়ে পড়ুয়াদের বিক্ষোভের মুখে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। শিক্ষামন্ত্রী ঢোকার ও বেরোবার সময় ছাত্ররা বিক্ষোভ দেখান। তৃণমূল প্রভাবিত ওয়েবকুপার সংগঠনের সদস্যরা বাধা দেন পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠে। এরপর তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্যরাও তাদের সাথে যোগ দেন। রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি তৈরি হয় বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে অভিযোগ ব্রাত্যর গাড়ি এবং দুই পাইলট কারে ভাঙচুর চালানো হয়। খুলে দেওয়া হয় ব্রাত্যর গাড়ির চাকার হাওয়া। তাঁর গাড়ির লুকিং গ্লাস ভেঙে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। ব্রাত্য বসুর কথায়, তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়। ধাক্কাধাক্কি হেনস্থার মধ্যে পড়েন শিক্ষামন্ত্রী। এরপর প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য ব্রাত্য বসু এসএসকেএম হাসপাতালে ট্রমা কেয়ার সেন্টারে যান। সংবাদমাধ্যমের ছবিতে দেখা যাচ্ছে, তাঁর প্রেশার চেক করছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা।
ছাত্র সংসদের ভোটের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন এসএফআই, আইসা, ডিএসএফ-এর মতো বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা। এদিকে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (টিএমসিপি) সদস্যরা। শিক্ষামন্ত্রীকে ৩ নম্বর গেট দিয়ে প্রবেশ করানো হয় ওপেন এয়ার থিয়েটারের পিছন দিয়ে মঞ্চে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনায় ক্ষুব্ধ ব্রাত্য বসু বলেন, ‘এই গুন্ডামি চলতে পারে না। পড়ুয়াদের চারজন প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলতে পারি, কিন্তু সবাই মিলে গুন্ডামি করলে মুশকিল।’ তিনি কড়া পদক্ষেপেরও ইঙ্গিত দেন। পাশাপাশি অতিবাম সংগঠন এবং বিজেপির বিরুদ্ধে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগ তোলেন শিক্ষামন্ত্রী। বলেন, ‘বিজেপির সঙ্গে মিলে অতি বামেরা ঝামেলা করতে চাইছে?
ধাক্কাধাক্কি হেনস্থার মধ্যে পড়ে শিক্ষামন্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য ব্রাত্য বসু এসএসকেএম হাসপাতালে ট্রমা কেয়ার সেন্টারে যান। এদিকে ঘটনায় এক ছাত্রের মাথা ফেটে রক্তাক্ত হয়, আরো কয়েকজন ছাত্র সামান্য আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।



