Share on whatsapp
Share on twitter
Share on facebook
Share on email
Share on telegram
Share on linkedin

৩২ হাজার দুর্গাপুজো হচ্ছে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায়, হাসিনার সরকারও  দিয়েছে  আর্থিক সহযোগিতা

Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on email
Share on telegram
Share on linkedin

    news bazar24 :  এই বছর  প্রায় ৩২ হাজার দুর্গাপুজো হচ্ছে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় ।পঞ্জিকা মতে ৫ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে পাঁচদিনব্যাপী এই উৎসব। আমাদের সংবাদ দাতা জানিয়েছে  ঢাকার ঢাকেশ্বরী, রমনা কালী মন্দির সহ দেশের প্রতিটি জেলায় মণ্ডপে মণ্ডপে আসতে শুরু করেছেন ভক্তরা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে প্রতিটি দুর্গামণ্ডপে শুভেচ্ছা ও আর্থিক সহযোগিতা পৌঁছে দিয়েছেন। সারাদেশে এখন বইছে উৎসবের আমেজ। ঢাক–ঢোল কাঁসর এবং শঙ্খের আওয়াজে মুখরিত হয়ে উঠেছে  বাংলার পরিবেশ। রাজনৈতিক নেতারাও এই রাজ্যের মত  বিভিন্ন  এলাকায় ছুটে চলেছেন শারদীয়া উৎসবে সামিল হতে। 
ঢাকা রামকৃষ্ণ মিশনে শনিবার সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে সায়ংকালে কল্পারম্ভ এবং বোধন আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে ষষ্ঠীপুজো সম্পন্ন হয় । ওইদিন সকাল থেকে চন্ডীপাঠে মুখরিত থাকে  মণ্ডপ।
 বাংলাদেশ পুজো উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক চন্দ্রনাথ পোদ্দার  বলেন, ‘‌সারাদেশে এবছর ৩২ হাজার ১৬৮টি মণ্ডপে দুর্গাপুজো উদযাপন হচ্ছে। গত বছর সারাদেশে দুর্গাপুজোর সংখ্যা ছিল ৩২ হাজার ১১৮টি। ঢাকা মহানগরে পুজোর সংখ্যা ২৪১টি, যা গত বছরের থেকে ৬টি বেশি।’‌
 দুর্গাপুজো উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের প্রতিটি পুজোমণ্ডপের নিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশ, আনসার, বিজিবি সহ অন্যান্য আইন–শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন  করছে । পুলিশের পাশাপাশি প্রায় প্রতিটি মণ্ডপে আছে স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী । ঢাকেশ্বরী মন্দির মেলাঙ্গনে মহানগর সার্বজনীন পুজো কমিটির উদ্যোগে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে।
 রাজধানীতে কেন্দ্রীয় পুজো উৎসব হিসেবে পরিচিত ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মণ্ডপে পুজোর পাশাপাশি ভক্তিমূলক সঙ্গীতানুষ্ঠান, বস্ত্র বিতরণ, মহাপ্রসাদ বিতরণ, আরতি প্রতিযোগিতা, স্বেচ্ছা রক্তদান ও বিজয়া শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয় ।
 বাংলাদেশ পুজো উদযাপন পরিষদের সভাপতি জে এল ভৌমিক বলেন, ‘গত বছরের ঘটনার প্রেক্ষাপটে এ বছর সরকার চায়, কোনও অবস্থাতেই যেন কোনও অঘটন না ঘটে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো গত বছরের তুলনায় এবার অনেক বেশি সক্রিয়। ৩২ হাজার ১৬৮টি মন্দিরের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য আমরা এ বছর প্রত্যেক মন্দিরে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করেছি, যারা রাতেও পাহারা দেবে।’
 রাজধানী ঢাকায় রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠ পুজোমণ্ডপ, গুলশান বনানী সর্বজনীন পুজো ফাউন্ডেশন, রমনা কালীমন্দির ও আনন্দময়ী আশ্রম, বরোদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির ও শ্মশান কমিটি, সিদ্ধেশ্বরী কালীমাতা, ভোলানাথ মন্দির আশ্রম, জগন্নাথ হল, ঋষিপাড়া গৌতম মন্দির, বাসাবো বালুর মাঠ, শাঁখারী বাজারের পানিটোলা মন্দিরসহ অন্যান্য মণ্ডপে দুর্গোৎসবের খ্যাতি আছে। শেখ হাসিনার নির্বাচনী কেন্দ্র গোপালগঞ্জে ১৩টি মণ্ডপে শুরু হয়েছে শারদীয়া দুর্গাপুজো।

 

Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on email
Share on telegram
Share on linkedin