Newsbazar24:তৃণমূল কর্মী খুনে সাজাপ্রাপ্ত তৃণমূল কর্মী। বিদ্যালয়ের পরিচালন সমিতি নির্বাচনকে ঘিরে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ১৪ বছর আগে হুগলির গোঘাটে এক তৃণমূল কর্মীকে খুনের অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনায় আরামবাগ মহকুমা আদালতের বিচারক ১৯ জনকে দোষী সাব্যস্ত করলেন।
জানা গিয়েছে, ২০১১ সালের ৯ ডিসেম্বর শ্যাওড়া ইউনিয়ন স্কুলে অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচন চলছিল। নির্বাচন ঘিরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, সেই সময় আমডোবা গ্রামের তৃণমূল কর্মী শেখ নইম উদ্দিনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। নিহতের স্ত্রী গোঘাট থানায় ২৭ জনের নামে গোঘাট থানায় অভিযোগ করেন । আরামবাগ মহকুমা আদালতে দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া চলার পর সোমবার ১৯ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে হেফাজতে নিয়েছে আদালত। অন্যদিকে ৭ জনকে বেকসুর খালাস করেছে আরামবাগ মহকুমা আদালত।
বিচারপ্রক্রিয়া চলাকালীন অভিযুক্তদের মধ্যে চারজনের মৃত্যু হয়।আরামবাগের অতিরিক্ত জেলা দায়রা বিচারক কিসেন কুমার আগরওয়ালের এজলাসে সাজা ঘোষণা হয়। সরকারি কৌঁসুলি শঙ্কর গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, যাঁরা দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন, তাঁদের সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন করা হবে। এই মামলার অন্যতম চর্চিত দিক ছিল রাজনৈতিক নেতাদের নাম জড়িয়ে পড়া। অভিযুক্তদের মধ্যে ছিলেন বর্তমান গোঘাটের বিজেপি বিধায়ক বিশ্বনাথ কারক। তিনি ঘটনার সময় ফরওয়ার্ড ব্লকের বিধায়ক ছিলেন। আরও ছিলেন সিপিএম নেতা দেবু চট্টোপাধ্যায় ও ভাস্কর রায়। আদালত প্রমাণের অভাবে তাঁদের সাতজনকে বেকসুর খালাস করেছে।
এদিন বিশ্বনাথ কারক বলেন, মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা হয়েছিল। সত্য শেষ পর্যন্ত জয়ী হয়েছে। ভাস্কর রায়ের অভিযোগ, তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর বিবাদে তাঁদের টেনে এনে হয়রানি করা হয়।
অ্যাডিশনাল সেশন জজ কোর্টের বিচারপতি অভিযুক্ত বলদেব বসুকে ফাঁসির সাজা শোনালেন। বাকি ১৮ জনকে যাবজ্জীবন সাজা শোনানো হয়েছে। এদিন সকাল থেকেই আদালত চত্বরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ছিল পুলিশের।





