Share on whatsapp
Share on twitter
Share on facebook
Share on email
Share on telegram
Share on linkedin

হিন্দু ধর্ম মতে স্বস্তিক চিহ্ন আসলে কি জানেন ? কেন বাড়ির প্রধান দরজায় রাখা হয় এই চিন্হকে?

Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on email
Share on telegram
Share on linkedin

news bazar24:  পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্ম হচ্ছে সনাতন ধর্ম। আর এই ধর্মের একটি নিজস্ব প্রতীক বা চিন্হ রয়েছে, যা আমরা  স্বস্তিক চিহ্ন বলে জানি। স্বস্তিক একটি সংস্কৃত শব্দ এবং এটি মূলত ভারতীয় সংস্কৃতির প্রতীক। স্বস্তিকের অর্থ হল ‘সু অস্তিক’ অর্থাৎ শুভ অস্তিত্ব। এই চিহ্নের মধ্যে সব ধর্মের মানুষের কল্যাণ নিহিত আছে।

বিশেষত্ব পূ্জো-পাঠের সময় এই চিহ্নের ব্যবহার করা হয়, কারণ এর মধ্যে রয়েছে আপার শক্তি। হিন্দু প্রাচীণ শাস্ত্র মতে, এই চিহ্ন দরজায় বা বাড়ির মূল প্রবেশ দ্বারে থাকা অত্যন্ত শুভ বলে মানা হয়। স্বস্তিক চিহ্ন বাড়ির দরজার উপর অঙ্কন করলে কোনও অশুভ শক্তি বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করতে পারে না। বরং অশুভ শক্তিকে দূর করে ঘরে সুখ ও সমৃদ্ধির নতুন পথ খুলে দেয়। এ কারণেই কোনও শুভ কাজের আগে বা বিশেষ পুজোর সময় বাড়ির প্রধান দরজায় একটি স্বস্তিক চিহ্ন এঁকে দেওয়া হয়।

সনাতন ধর্ম অনুসারে, স্বস্তিক প্রতীকে সমান্তরাল আকারে ৪টি দিক থাকে। এই চারটি দিক প্রকৃতির চারটি উপাদানের প্রতীক। চারটি বাহু সামান্য ডানদিকে বাঁকানো হয়।

কেন বাড়ির প্রধান দরজায় রাখা হয় এই চিন্হকে ?

স্বস্তিক চিহ্ন ঘট ও বাড়ির প্রধান প্রবেশদ্বারে তৈরি করা হয়। এর একটা বড় কারণও রয়েছে। আসলে জ্যোতিষশাস্ত্রে বিশ্বাস করা হয় যে সমস্ত শুভ-অশুভ শক্তি শুধুমাত্র প্রধান দরজা দিয়েই ঘরে প্রবেশ করে। তাই বাড়ির প্রধান গেটে স্বস্তিক চিহ্ন তৈরি করলে তা রক্ষা কবচের মতো ঘরে নেতিবাচক শক্তিকে প্রবেশ করতে বাধা দেয়।

পরিবারের সৌভাগ্য বজায় রাখতে দরজায় একইসঙ্গে ঠাকুরের স্থানেও এই চিহ্ন আঁকার পরামর্শ দেন বাস্তু বিশেষজ্ঞরা।

তবে যেই স্থানে চিহ্ন আঁকবেন, সেই স্থান যেন পরিষ্কার থাকে। যাতায়াতের পথে থেকে উঁচুতেই এই চিহ্ন রাখতে হবে। জ্যোতিষীদের মতে, যাত্রা শুরু করার আগে বা কোনও শুভ কাজে যাওয়ার আগে এই চিহ্ন দেখে বেরনো খুব শুভ মানা হয়।

লোকবিশ্বাস, বাড়ির প্রধান প্রবেশদ্বারে একটি স্বস্তিক চিহ্ন তৈরি করলে, দারিদ্র্য এবং রোগ বাড়িতে প্রবেশ করে না। পরিবার সর্বদা সুখী এবং সমৃদ্ধ থাকে। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, বাড়ির প্রধান ফটকে সবসময় হলুদ দিয়ে একটি স্বস্তিক চিহ্ন তৈরি করা উচিত। হলুদের আয়ুর্বেদিক গুণ রয়েছে। এটি ভাইরাস, জীবাণু এবং নেতিবাচক শক্তির সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

স্বস্তিককে গণেশের একটি রূপ হিসাবে বিবেচনা করা হয়, যা বাধা-ভঙ্গকারী। এটা বিশ্বাস করা হয় যে স্বস্তিকের বাম দিকে গাম বীজ মন্ত্র। এটি ভগবান স্থান হিসাবে বিবেচিত হয়। মাতা গৌরী, পৃথ্বী, কূর্ম এবং দেবতারা স্বস্তিকের চার পাশে বিন্দুতে বাস করেন বলে বিশ্বাস করা হয়। তাই স্বস্তিককে এত শুভ বলে মনে করা হয়।

অন্যদিকে, এই স্বস্তিক চিহ্ন সূর্যের সঙ্গে বিশেষ সম্পর্কযুক্ত। সূর্যকে সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে মনে করা হয়, তাই স্বস্তিক চিহ্নটিকেও পবিত্র বলে মনে করা হয়।

বাড়ির প্রধান প্রবেশদ্বারে একটি স্বস্তিক চিহ্ন তৈরি করার কথা ভাবলে সঠিক দিকে করুন। বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে, স্বস্তিক চিহ্ন সর্বদা উত্তর বা উত্তর-পূর্ব দিকে তৈরি করা উচিত। এই দিকগুলিতে একটি স্বস্তিক তৈরি করলে, দেবতা এবং দেবতার আশীর্বাদ সর্বদা পরিবারের ওপর বজায় থাকে।

Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on email
Share on telegram
Share on linkedin

Latest News