Newsbazar24:হাঁটুতে ব্যথা, আঙুলের গাঁটে ব্যথা, কোমরে যন্ত্রণা, পিঠে-ঘাড়ে যন্ত্রণা কিংবা পায়ে বা কনুইয়ে ব্যথা আজকাল অধিকাংশ মানুষের মধ্যে দেখা যায়। এগুলি হল দুর্বল হাড়ের লক্ষণ। এই সমস্যার জন্য দায়ী আমাদের জীবনযাত্রা। এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে খাদ্যতালিকায় নজর দেওয়া জরুরি। পাশাপাশি শরীরচর্চার দিকে নজর দেওয়া অবশ্যই দরকার। অতিরিক্ত নুন, সফট ড্রিংকস, অতিরিক্ত চা বা কফি খাওয়ার অভ্যাস অতিরিক্ত প্রোটিন বা প্রাণীজ প্রোটিন হাড়ের খুব ক্ষতি করে। আরও অনেক বিষয় রয়েছে যেগুলি অজান্তেই আমাদের হাড়ের ক্ষতি করে চলেছে। তবে হাড়কে ক্ষয়-ক্ষতির হাত থেকে বাঁচাতে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা দরকার খাদ্যাভ্যাসের ক্ষেত্রে।
হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে গেলে ক্যালশিয়ামের পাশাপাশি অন্যান্য পুষ্টি উপাদানও দরকার।
হাড়ের জন্য অত্যন্ত দরকার ভিটামিন কে । হাড়ের উপর কতটা ক্যালশিয়াম থাকবে তা নির্ভর করে এই ভিটামিন কে-র উপরে। নিয়মিত খান ব্রকোলি, পালং শাক, লেটুস ও বাঁধাকপি।
পাশাপাশি ভিটামিন ডিও হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য দরকার। ভিটামিন ডি না থাকলে খাবার থেকে ক্যালশিয়াম শোষণ করতে পারে না শরীর। ভিটামিন ডি আসে সূর্যের আলো থেকে। তাই সকালে প্রতিদিন গায়ে লাগান সূর্যরশ্মি। সয়াবিন, পালং শাক, স্যামন মাছ থেকেও পাবেন ভিটামিন ডি।
প্রোটিন আমাদের পেশীকে শক্তিশালী করে।তাই পর্যাপ্ত প্রোটিন দরকার শরীরে। প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার হাড় ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা কমায়। মাছ, মাংস, ডাল, মটরশুঁটি, ডিম ও পনির ও দুগ্ধজাত খাবারও মেটায় প্রোটিনের ঘাটতি।
ম্যাগনেশিয়াম অস্টিওপোরোসিসের মতো অসুখের ঝুঁকিও কমায়। নানা ধরনের ড্রাই ফ্রুটস, চিয়া, আমন্ড, বাদাম ও দানাশস্য থেকে পাওয়া যায় ম্যাগনেশিয়াম।
হাড়ের বৃদ্ধির জন্য দরকার ভিটামিন সি। এতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ঝুঁকিও কমে হাড়ের অসুখের। শীতে কমলালেবু ও মুসম্বি খান। এতে রয়েছে ভিটামিন সি





