মুর্শিদাবাদের ভরতপুর। সৈয়দ কুলুট গ্রামের সাত বছরের ছোট্ট সোহানা—যে শিশুকে ঘিরে পুরো এলাকা গত চারদিন ধরে ছিল উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠায় ভরা। শনিবার বিকেলে বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায় সোহানা। শুরু হয় পুলিশি তৎপরতা—এসে পৌঁছায় স্নিপার ডগ স্কোয়াড, নামানো হয় ডুবুরি। তল্লাশি চলে গ্রাম থেকে পুকুর-জঙ্গল সব জায়গায়।
কিন্তু কোনো হদিস মিলছিল না শিশুটির।
গতকাল সোহানার মা অপহরণের অভিযোগ তোলেন। এরপরই আজ সকালে চাঞ্চল্যকর ঘটনায় থমকে যায় দুই গ্রাম—সৈয়দ কুলুট থেকে মাত্র এক কিলোমিটার দূরে সৈয়দকুটের দাস পাড়ায় ধান ক্ষেতে মিলল সোহানার নিথর দেহ।
ধানক্ষেতের মধ্যে গলায় ফাঁস দেওয়া ছিল সোহানাকে। উপর থেকে কাটা ধান চাপা দিয়ে রাখা হয়েছিল দেহ। কে বা কারা এই ভয়ঙ্কর কাণ্ড ঘটালো, তা নিয়ে রীতিমতো আতঙ্ক গ্রামে।
খবর পেয়ে মুহূর্তে ভিড় জমে যায় মাঠে—সবার চোখে জল, অবাক হতবাক মানুষ।
পুলিশ দেহ উদ্ধার করে পাঠিয়েছে ময়নাতদন্তে। অপহরণ নাকি খুন—তা স্পষ্ট হবে তদন্তে। ইতিমধ্যে প্রশ্নের মুখে নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং পুলিশি তৎপরতা।
ছোট্ট সোহানার এমন মর্মান্তিক পরিণতিতে কেঁপে উঠেছে ভরতপুরের সৈয়দ কুলুটগ্রাম





