news bazar24:
রবীন্দ্রনাথ তরফদার যিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক এদিন তিনি তাঁর উচ্ছ্বাসের কাহিনী শেয়ার করে নিলেন সকলের সাথে। নিজের স্মৃতির পাতা তুলে ধরলেন সেই ১৯৬৯ সালের কথা যে সময় তিনি বনগাঁ দীনবন্ধু মহাবিদ্যালয়ের বিএ দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। তিনি অবশ্য মণিগ্রাম এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
চন্দ্র অভিযান সম্পর্কে তিনি জেনেছিলেন প্রথম আনন্দবাজার পত্রিকার মাধ্যমে, যেখানে এডউইন অলড্রিন নীল আর্মস্ট্রং চাঁদের মাটিতে পা রাখার ছবি ছাপা হয়েছিল। তারপর থেকেই তাঁর মধ্যে উত্তেজনা কাজ করেছিল। তখন অবশ্য জানার মাধ্যম ছিল সংবাদপত্র ও রেডিওর সংবাদ। কখনো কখনো নিজেদের বন্ধুদের আড্ডার মধ্যেও উঠে আসত চন্দ্র অভিযান কথা।
কখনো তিনি আবার কলেজের শিক্ষকদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইতেন। তবে তাঁরা কেউ সঠিকভাবে কিছু বলে উঠতে পারতেন না। শুধুমাত্র শিক্ষকরা তাদের একটা কথাই বলতেন একদিন হয়তো ট্রেনে করে বনগাঁ শিয়ালদা যাবার মতোই চাঁদে যাতায়াত করা সম্ভব হয়েছে। আর আজ যখন সে স্বপ্ন সত্যি হলো, ইতিহাস গুলো ভারত।
চাঁদের মাটিতে চন্দ্রযান ৩ পা রাখল। গর্বে বুক ভরে যাচ্ছে। তিনি ভীষণ গর্বিত এবং তিনিও তাঁর বাড়ির ছোটদের সাথে শেয়ার করছেন। সেই একই কথা তিনি তাঁর পরবর্তী প্রজন্মকে শোনাচ্ছে। একদিন হয়তো তাঁরা পূজোর ছুটিতে চাঁদে বেড়াতে যাবেন। যে স্বপ্ন তাঁর শিক্ষকরা ভরে দিয়েছিল তাঁদের চোখে আজ সেই স্বপ্নই তিনি তাঁর পরবর্তী প্রজন্মের চোখে দেখতে শেখাচ্ছেন।

