Share on whatsapp
Share on twitter
Share on facebook
Share on email
Share on telegram
Share on linkedin

সেক্স সম্পর্কে নানা দেশের নানা মত! সেক্স নিয়ে কোন দেশের কি ধারনা ?

Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on email
Share on telegram
Share on linkedin

news bazar24: পৃথিবীর সমস্ত জীবের মধ্যেই সেক্স বা যৌনতা হচ্ছে  সবচেয়ে পুরোনো  এবং শাস্ত্রীয় ব্যাপার। এই যৌনতা নিয়ে সেই ঋষি মুনিদের যুগ থেকে কত না মতামত তৈরি হয়েছে। কাম সুত্র বা কাম শাস্ত্র তৈরি হয়েছে সেই পৌরাণিক যুগে।  কিন্তু এই সেক্স সবচেয়ে সার্বজনীন হলেও, এ নিয়ে বিভিন্ন দেশে, বিভিন্ন সংস্কৃতিতে গড়ে উঠেছে আলাদা আলাদা রীতি  ও পদ্ধতি । দেশ হিসেবে এই সেক্স  কারো কাছে স্বাভাবিক, আবার অনেকের কাছে সেক্স মানে  রীতিমত আজব ।

এমনও দেশ আছে যারা সারা জীবন যৌনমিলন থেকে দূরে থাকে , কিংবা বগলে আপেল নিয়ে ঘোরা – এরকম অসংখ্য বিচিত্র রীতিকে একসাথে করা কঠিন কাজ  হলেও আমরা news bazar24 চেষ্টা করছি কিছু তথ্য তুলে ধরার ।

হাওয়াইয়ের আদিবাসীরা তাদের গোপন অঙ্গের উপাসনা করে

ঐতিহ্যগত ভাবেই যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের আদিবাসীরা তাদের গোপন অঙ্গের উপাসনা করে এবং আলাদা একটা ‘আদুরে নাম’ দিয়ে থাকে।এই নাম শরীরে যৌবন আসতেই রাখা হয়।

আর  সেখানেই তারা থেমে থাকে নি।

আদিবাসীদের রাজা থেকে শুরু করে সাধারণ লোক পর্যন্ত সবারই থাকে  ‘মেলে মা’ই’ অর্থাৎ নিজস্ব একটা মন্ত্র – যা রচিত হয়  বেশ কাব্যিক ভাষায়।

এসব মন্ত্রে বেশ খোলামেলা কাব্যিক ভাষায় বিস্তারিত বর্ণনা দেয়া হতো তাদের গোপন অঙ্গের। হাওয়াইয়ানদের যৌন আচরণের একজন বিশেষজ্ঞ ড. মিল্টন ডায়মন্ড।

বর্ণনা করেন তাদের রানি লিলি’উওকুলানি-র মন্ত্র। ‘উত্তেজিত’ নামের এই মন্ত্রে রানি তার যৌনাঙ্গের ‘ওঠানামার’ বর্ণনা দিয়েছেন।

জাপানিদের যৌনমিলনের ইচ্ছে আগের চাইতে কমে গেছে

 বিশ্বের মধ্যে জাপানে এখন জন্মহার ক্রমাগত কমছে। তার সাথে অস্বাভাবিক ভাবে কমছে কনডম ও জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ির ব্যবহার, গর্ভপাতের সংখ্যা, এবং যৌন রোগের প্রকোপও।আর যে কারনেই হোক না কেন ?  ব্যাখ্যা একটাই, সেটা  হলো জাপানের লোকেরা আগের চাইতে কম সেক্স করছে” – এই তথ্য দিলেন দেশটির পরিবার পরিকল্পনা সমিতির প্রধান কুনিও কিতামুরা।

সাম্প্রতিক এক জরিপে বলা হয়, জাপানের বহু দম্পতি যৌনসম্পর্কবিহীন বিবাহিত জীবন যাপন করছেন। এক-তৃতীয়াংশ পুরুষ বলেছেন, তারা এত ক্লান্ত থাকেন যে এসব করতে ইচ্ছে করে না।

এক-চতুর্থাংশ জাপানি নারী বলেছেন, সেক্স তাদের কাছে একটা সমস্যা বলেও মনে হয়।

আরেক জরিপে দেখা গেছে – জাপানে ১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়স্কদের মধ্যে কুমার-কুমারীর সংখ্যা গত এক দশকে অনেক বেড়ে গেছে। প্রায় ৪৫ শতাংশই বলেছেন তারা কখনো যৌনমিলন করেন নি।

দক্ষিণ কোরিয়ার নারীরা সেক্স করবেন কিন্তু বাচ্চা চান না

দক্ষিণ কোরিয়ার নারীদের গড়ে ১ টি সন্তান হয় । কিন্তু দেশটির জনসংখ্যা স্থিতিশীল রাখতেএ সংখ্যা ২ এর ওপর হওয়া দরকার বলে প্রশাসন বার বার ঘোষণা করছে।

কিন্তু দেশটিতে  উচ্চ মুল্য, সন্তান পালনের ব্যয়বাহুল্য, এবং দীর্ঘ কর্ম ঘন্টার কারণে চাকরিজীবী নারীরা সন্তান নিতে চান না।

দক্ষিণ কোরিয়ান মেয়েদের কাছে সন্তানের মা হওয়াটা কোন অগ্রাধিকার নয়

বাচ্চা নেবার জন্য সরকার তাদের উৎসাহিত করতে কোটি কোটি ডলার খরচ করছেন।

কিন্তু তবুও সেখানে জন্মহার বাড়ছে না।এই দেশে কন্ডমের বিক্রি সব থেকে বেশি।

রাশিয়ায় গর্ভসঞ্চার দিবস বলে একটা দিনই আছে

 রাশিয়ার একটি অঞ্চলে ক্রমাগত কমতে থাকার জনসংখ্যা বাড়ানোর জন্য এক অভিনব উপায় বের করেছে রাশিয়া সরকার । মস্কোর পূর্বদিকে উলিয়ানভস্ক-এর গভর্নর ১ই সেপ্টেম্বরকে গর্ভসঞ্চার দিবস ঘোষণা করেছেন।সরকারি ছুটির দিন সেদিন,  বলা দেয়া হয়েছে, সেদিন দম্পতিরা বাড়িতে থাকবে শুধু সন্তান উৎপাদনের জন্য। সেই দিনটি থেকে নয় মাসের মাথায় যে দম্পতির সন্তান হবে, তাদের উপহার দেয়া হয়। যার  মধ্যে থাকে ভিডিও ক্যামেরা, ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিন ইত্যাদি নানা কিছু।

ব্রাজিলের মেহিনাকু গ্রামে পুরুষরা মেয়েদের  আকৃষ্ট করেন মাছ দিয়ে

মধ্য ব্রাজিলে মেহিনাকু গ্রামে নারীরা তাদের প্রণয়প্রার্থীদের মধ্যে একজনকে বেছে নেবার এক সহজ পন্থা বের করেছেন।

একজন নারীর প্রেমপ্রার্থী যদি একাধিক হয়, তাহলে পুরুষদের সেই নারীকে উপহার দিতে হয় একটি মাছ। যার মাছ সবচেয়ে বড়, তিনিই জিতে নেবেন সেই নারীকে সেক্স করার জন্য ।

অস্ট্রিয়ায়  প্রেমপ্রার্থী পুরুষকে দেয়া হয়বগলে চেপে রাখা  গন্ধওয়ালাআপেল

 গ্রামীণ অস্ট্রিয়াতে মেয়েদের একটা ঐতিহ্যবাহী নাচ আছে । সেখানে মেয়েরা নাচেন তাদের বগলে আপেলের টুকরো রেখে  । সেই নারী যদি নাচের সময় সেখানে উপস্থিত কোন পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হন,তখন তিনি সেই ঘামে-ভেজা আপেলের টুকরো বাড়িয়ে দেবেন তার দিকে। যদি পুরুষটিরও সেই নারীকে ভালো লেগে থাকে, তাহলে তাকে সেই আপেল থেকে এক কামড় খেতে হবে । সেটার স্বাদ যেমনই হোক না কেন , তাহলেই মেয়েটাকে যেটা যাবে।

নাচের সময় ফেলে দিয়ে পুরুষবিজয়

নাচতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে গেলে বদনাম হয় অনেক দেশে। কিন্তু নাচের সময় পুরুষকে ফেলে দিতে পারলে মেয়েরা  বিজয়ী হন এমনও দেশ আছে। এমন দেশে এজন্য বরং আপনার পুরস্কার মিলে যেতে পারে। দেশটি হলো কলম্বিয়া।

কলম্বিয়ার গুয়াজিরো উপজাতির এক ধরণের বিশেষ উৎসব নৃত্য আছে, যেখানে একজন নারী যদি নাচের সময় এজন পুরুষকে উল্টে ফেলে দিতে পারেন – তাহলে তাদের অবশ্যই একসাথে  যৌনমিলন করতে হবে।

 ডেনিশরা বেশিরভাগ সন্তান নেন ছুটি কাটানোর সময়

ডেনিশরা সন্তান নেন ছুটির সময় ।ডেনিশরা ছুটির সময় অন্য দেশের লোকদের চাইতে ৬৬ শতাংশ বেশি পরিমাণে যৌনসম্পর্ক করে থাকেন। শুধু তাই নয় । ডেনিশ মেয়েদের  গর্ভসঞ্চার হয় তখনই – যখন তারা বাড়ির বাইরে কোথাও ঘুরতে যান পার্টনারের সাথে।

সবচেয়ে বেশিযৌনসক্রিয়হয়ে থাকেন  গ্রীকরা

 কনডম প্রস্তুতকারক ড্যুরেক্সের এক গবেষণায় বলা হয়েছে  গ্রীসের লোকেরাই সবচেয়ে বেশি বার যৌনমিলন করে থাকেন। পৃথিবীর ২৬টি দেশের  মধ্যে ১৬ বছরের বেশি বয়স্ক ও  ৩০ হাজার লোকের ওপর ওই জরিপ চালানো হয়।

গ্রীসের লোকেরা গড়ে প্রতি বছর ১৬৪ বার যৌনমিলন করেন। এর কারণ কি সেদেশের আবহাওয়া, নাকি জলের  গুণ, তা জানা যায় নি। তবে সবচেয়ে বেশি ‘যৌন-সক্রিয়’ হবার জন্যে কেউ তাদের দেখে হিংসা করে থাকেন।

 

Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on email
Share on telegram
Share on linkedin

Latest News