news bazar24: কবি চণ্ডীদাসের উক্তি ছিল ‘মানুষ সবার উপরে, সত্য কিছুই নয়’। এই কথা আরও একবার প্রমাণ করলেন বীরভূমের নানুরের বাসিন্দারা। বাংলাদেশে ধর্মীয় ধর্মীয় হিংসার মাঝেই কবি চণ্ডীদাস যেখানে থাকতেন সেখানে নানুরের মুসলিম সম্প্রদায় সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো । হিন্দু যুবকের মৃত্যুর পর গ্রামের মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজন গ্রামে টাকা তুলে হিন্দু যুবকের শেষকৃত্যের ব্যবস্থা করে। এমনই নজিরবিহীন ঘটনা দেখা গেল নানুরের আগরতার গ্রামে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কবি চণ্ডীদাস যেখানে থাকতেন সেটি নানুর থেকে একটু দূরে আগরতার। এই গ্রামে প্রধানত মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ বাস করে। ওই গ্রামে একটি হিন্দু পরিবার দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছে। সড়ক দুর্ঘটনায় ওই পরিবারের এক যুবকের মৃত্যুর পর গ্রামের মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজন পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে সৎকারের সব ধরনের ব্যবস্থা করেন। মৃত যুবকের নাম সোমনাথ হাজরা। তার বয়স 20 বছর। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে কিরনাহার থানার বলরামপুর গ্রামে এক বন্ধুর বাড়িতে নিমন্ত্রণ খেতে যাচ্ছিলেন সোমনাথ। মিরাটি গ্রামের কাছে সড়ক দুর্ঘটনায় স্বীকার হয় সে। আহত যুবককে নানু প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।
রোববার তার শেষকৃত্য করতে এগিয়ে আসেন এলাকার মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজন। গ্রামে অনুদান সংগ্রহ করে সৎকারের যাবতীয় ব্যবস্থা করেন গ্রামের মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজন। এমনকি গ্রামের মুসলমানরা চিতা তৈরি করে। সোমনাথের বাবা গোপীনাথ হাজরা জানান, মুসলিমরা সৎকারের ব্যবস্থা না করলে তাঁর ছেলেকে দাহ করা যেতনা।





