news bazar24: শীত শুরু হলেই বাড়ে নলেন গুড়ের চাহিদা। এবারও একই ছবি। এখন পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রাম ও মানকরের শিউলিরা কাজে ব্যস্ত। তবে অনেকেই যাদেরকে পশি বলা হয়।
এবারও বাঙালির প্রিয় নলেন গুড়ের চাহিদা আকাশছোঁয়া। রাজ্যের বিভিন্ন বাজারে এসেছে নলেন গুড়। কোথাও কোথাও জিরেন কাঠের গুড়ও পাওয়া যাচ্ছে। গুসকরা থেকে দুর্গাপুর পর্যন্ত রাজ্য সড়কের দুই পাশে অসংখ্য খেজুর গাছ নলেন গুড় তৈরির উৎস। নদীয়া জেলার শিউলিরা খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহ করে খাঁটি খেজুরের গুড় তৈরি করছে। তারা পূর্ব বর্ধমান জেলার বিভিন্ন এলাকা এমনকি অন্যান্য জেলার চাহিদা পূরণ করছে। এখানকার গুড়ের বিশেষ স্বাদ ও গুণের খ্যাতি জেলা শহর থেকে সুদূর মফস্বলে ছড়িয়ে পড়েছে।

একজন গুড় প্রস্তুতকারক জানান, শীত শুরু হওয়ার এক মাস আগে তারা এসে গাছ পরিষ্কার করেন। শীত শুরু হওয়ার সাথে সাথে গাছ থেকে রস সংগ্রহ শুরু হয়। বাজারে গুড়ের চাহিদা বেশি থাকায় তীব্র ব্যস্ততার কারণে সময়মতো খাওয়া-দাওয়া করতে পারেন না তারা। তবুও এটা তাদের জীবিকার অন্যতম মাধ্যম। ক্রেতাদের মতে, অন্যান্য জায়গার তুলনায় এ অঞ্চলের গুড়ের স্বাদ অনেক ভালো।
নলেন গুড়ের উৎপাদন শুধু গ্রামীণ অর্থনীতিকেই সমৃদ্ধ করছে না, নদিয়ার শিউলিদের কর্মব্যস্ত জীবনে অন্য মাত্রা যোগ করছে। শীতের আবহাওয়ায় গুড় তৈরির এই ঐতিহ্য বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।



