রাজ্যের রাজনীতিতে বিস্ফোরণ হতে চলেছে, মালদহে শুভেন্দুর মন্তব্যে জল্পনা তুঙ্গে

Newsbazar24:আগামী সপ্তাহের বাংলায় রাজনৈতিক বিস্ফোরণ হবে। এমনই মন্তব্য শোনা গেল রাজ্যের বিরোধী দলনেতার মুখে। শনিবার মালদহ উত্তর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী খগেন মুর্মুর সমর্থনে শনিবার রতুয়ার কাহালা এলাকায় শুভেন্দু অধিকারী জনসভা করেন। স্বভাবতই শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে রাজ্য-রাজনীতিতে। এখন এর বেশি কিছু বলছি না। অপেক্ষা করুন, দেখতে পাবেন, সামনের সপ্তাহে বিরাট বোমা ফাটবে। কোন প্রসঙ্গে তার এই মন্তব্য সেটা রাজনৈতিক মহলকে ভাবিয়ে তুলেছে।। লোকসভার দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে কোন রাজনৈতিক ঘটনা কি ঘটতে চলেছে? শুভেন্দুর মন্তব্যে তুঙ্গে জল্পনা।
শুভেন্দু এদিন বলেন, সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বরের সঙ্গে কল রেকর্ডিংয়ের স্বর মেলায় ভাইপো বিপদে পড়বে।
শুভেন্দু আরও বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৫ মে অবধি মালদহে থাকলেও খগেন মুর্মুর ১ লক্ষ বেশি ভোটে জয় আটকাতে পারবেন না।মালদহ উত্তরে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে জালি আইপিএস বলে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন,মালদহ উত্তরে তৃণমূল কংগ্রেস থার্ড হবে। মালদহ দক্ষিণে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর জামানত জব্দ হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবার দার্জিলিংয়ে উঠতে পারেননি। ওখানকার মানুষ ওঁকে ঘৃণা করেন। মালদহ, মুর্শিদাবাদের লোকও ওঁকে ঘৃণা করেন, তাই সভায় লোক হয় না।
শুভেন্দু যেদিন বলেন মালদহে আমার জন্য তৃণমূল কংগ্রেসের এই বাঢ় বাড়ন্ত। এর জন্য আমি নিজেকে অপরাধী বলে মনে করি। কেন না, মালদহে শুধু পদ্ম আর হাত ছিল। তৃণমূল ছিল না। আমি জোর করে ঘুরে ঘুরে চেষ্টা চালিয়ে কিছু তৃণমূল করেছি। তাতে ভুল থাকতে পারে। বাস্তব হলো, মমতাকে কেউ পছন্দ করেন না। তৃণমূল এবার সাফ হবে।
শুভেন্দু বলেন, গাজোলে সভার সময় পিছিয়েও ২ হাজার লোক হয়েছে। আমি মালদহ উত্তরে যেখানে সভা করলাম সেখানে ৮ হাজার লোকের ৬৫ শতাংশ মুসলিম মানুষ ছিলেন। মালদহ দক্ষিণের সভায় ১৫ হাজার লোক হয়েছে।
দূরদর্শনের লোগোর রং বদল নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডলে দাবি করেছেন, নির্বাচনের সময় এভাবে গৈরিকীকরণ নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের সামিল।
শুভেন্দু এ বিষয়ে বলেন, গেরুয়া রংয়ের প্রতি ওনার এত রাগ কেন? হিন্দুদের দাঙ্গাবাজ বলার অধিকার কে দিল? উনি জালি হিন্দু, উনিই বড় দাঙ্গাবাজ। মুসলিমদের চাকরি দেননি, শিক্ষা দেননি। মালদহ, মুর্শিদাবাদের বেশিরভাগ মানুষ পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে বিজেপি রাজ্যে কাজ করেন। কারও লাশ এলে উনি ফিরহাদ হাকিম, সাবিনা ইয়ামিনদের পাঠিয়ে ২ লক্ষ করে টাকা দেন। তার অভিযোগ মালদহের পুলিশ সুপার তৃণমূলের ক্যাডারের ভূমিকা পালন করছেন।
মুর্শিদাবাদের শক্তিপুরে রামনবমীর মিছিলে যে হামলা চলেছিল তার প্রেক্ষিতে শুভেন্দু বলেন, সিভিক ভলান্টিয়ারের বাড়ি থেকে পাথর, বোমা ছোড়ো হয়েছে। উনিই পরিকল্পনামাফিক এ সব করিয়েছেন।

এরকম আরো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন