news bazar24: রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে মুর্শিদাবাদ জেলার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনীয় স্থান জিয়ন্ত কবর যা আজ ধ্বংসের মুখে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বাংলার প্রথম নবাব মুর্শিদ কুলি খান এর কন্যা ছিলেন আজিমুন্নেসা বেগম। জনশ্রুতি রয়েছ, কঠিন রোগে আক্রান্ত হওয়ায় নবাবি হেকিম দৈনিক একটি মানবশিশুর কলিজা দিয়ে ওষুধ তৈরি করে দিতেন। অসুখ সেরে গেলেও তিনি মানবশিশুর কলিজায় নেশাগ্রস্ত হয়ে গোপনে নিয়মিত ভাবে শিশুদের কলিজা খেতে থাকেন। এই ঘটনা মুর্শিদকুলি খাঁ জানতে পেরে তাকে জীবন্ত কবর দেওয়ার নির্দেশ দেন।
এমনই জনশ্রুতি রয়েছে।
পরবর্তীতে এই স্থান পর্যটকদের আকর্ষণীয় জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যা দেখতে ভিড় জমান দেশ বিদেশের সাধারণ মানুষ। বর্তমানে এই স্থানে রক্ষণাবেক্ষণের ওভাবে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন অনেক পর্যটক। এক পর্যটক জানালেন গত চার বছর আগে এসেছিলাম, এ বছর এসে দেখলাম পরিকাঠামো ব্যবস্থা অনেকটাই বেহাল, তিনি বলেন আরো একটু পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং সাথে একজন ভালো টুরিস্ট গাইড থাকলে আরো ভালো লাগতো।
বর্তমানে এর ফলে এই এলাকায় সেভাবে কোন দোকানপাট ও বাণিজ্যিক পরিকাঠামো গড়ে ওঠেনি। স্থানীয় এক টোটো চালক জানালেন আগের মতন এই স্থানে আর ভিড় জমানান্য সাধারণ মানুষ। ফলে ধীরে ধীরে কি গুরুত্ব কমতে চলেছে আজিমুন্নেসা বেগমের সমাধিস্থল অর্থাৎ জেলাবাসীর কাছে যা জীবন্ত কবর নামে পরিচিত এই প্রসঙ্গে বিস্তারিত জানালেন মুর্শিদাবাদ জেলার বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ অরিন্দম রায় ।



