Newsbazar24:আন্তর্জাতিক মঞ্চে আরও একবার মালদা তথা পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতের মুখ উজ্জ্বল করলেন মালদহের বিভূতি ভূষন উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র পলাশ মন্ডল। সম্প্রতি বাহারানে অনুষ্ঠিত তৃতীয় এশিয়ান যুব গেমসের ভারতের হয়ে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন মালদহের পলাশ মন্ডল।। অনূর্ধ্ব ১৮এ ৫০০০ মিটার রেস ওয়াকিংএ পলাশ মন্ডল ভারতের হয়ে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন। মঙ্গলবার দুপুরে বিভূতিভূষণ হাই স্কুলের পক্ষ থেকে পদকজয়ী পলাশ মন্ডল এবং পাশাপাশি বিদ্যালয়ের আরো দুই ছাত্র রাজ্য বিদ্যালয়ের প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
এই উপলক্ষে এদিন সকালে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে শহরে এক শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। দুপুরে সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়। উদ্বোধনী সংগীতের মধ্য দিয়ে এই অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানের প্রারম্ভে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তুহিন সরকার অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে ছাত্রদের সাফল্যের পেছনে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সাব ইন্সপেক্টর অফ স্কুলস পূর্বাশা চ্যাটার্জি, উত্তরবঙ্গ ক্রীড়া উন্নয়ন পর্ষদের সদস্য প্রসেনজিৎ দাস , ইংলিশ বাজার পৌরসভার কাউন্সিলর চৈতালি ঘোষ সরকার,কাউন্সিলর গৌতম দাস , বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির প্রাক্তন সম্পাদক আশিস কুণ্ডু , পলাশের কোচ অমিতাভ রায়, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সহচরীর সভাপতি তথা সভ্যগণ সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। বিদ্যালয় এর পক্ষ থেকে পদক বিজয়ীদের হাতে আর্থিক পুরস্কার ও স্মারক প্রদান করা হয়।পদক জয়ীদের কাজকে স্বীকৃতি দিয়ে তাদের এবং ভবিষ্যৎ খেলোয়াড়দের উৎসাহিত ও উজ্জীবিত করাই এই সংবর্ধনার উদ্দেশ্য বলে জানান প্রধান শিক্ষক তুহিন কুমার সরকার।
প্রথম বারের জন্য আন্তর্জাতিক মঞ্চে পদক জিতে পলাশ জানান, এই অনুভূতিটা দারুণ। সে তার এই সাফল্যের পেছনে একদিকে যেমন আমার কোচ অমিতাভ রায়ের অবদান রয়েছে পাশাপাশি আমাদের স্কুলের ক্রীড়া শিক্ষক সহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অবদান রয়েছে। সে মাঠ নিয়ে অভিযোগ জানালো, মাঠের অভাবে ঠিকমতো প্র্যাকটিস হচ্ছে না । এখন বিমানবন্দরের মাঠে প্র্যাকটিস করা হয় কিন্তু সেখানে প্রায়ই ঢুকতে দেয়না। তাই একটি স্থায়ী মাঠের আবেদন জানায় সে।
একই আবেদন শোনা গেল যুব এশিয়ানে পদক জয়ীর কোচ অমিতাভ রায়ের গলাতেও। তিনি আক্ষেপ করে বলেন সেনাবাহিনী চাকরি ছেড়ে দিয়ে খেলোয়াড় তৈরি করার লক্ষ্যে নিজের জেলায় ফিরে এসেছি। এই জেলা সহ পাশাপাশি জেলায় বহু প্রতিভা রয়েছে এদেরকে ঠিকমত তৈরি করতে গেলে একটি স্থায়ী খেলার মাঠ দরকার। আমি জেলা প্রশাসন জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাছে আবেদন রাখছে অন্তত একটি খেলার মাঠের ব্যবস্থা যেন করা হয় যাতে এদের নিয়ে প্র্যাকটিস করানো যায় এবং আগামীতে জেলা তথা রাজ্য তথা দেশের নাম উজ্জ্বল করতে পারে।





