Newsbazar24::মালদহ ঐতিহাসিক জেলা। এই জেলার বিভিন্ন প্রান্তে রয়েছে বেশ কিছু ঐতিহাসিক নিদর্শন সম্প্রতি মালদা সফরে এসে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন মালদা মুর্শিদাবাদ ও নদীয়া এই তিন জেলা নিয়ে ট্যুরিজম সার্কিট হাব তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে এই ব্যাপারে নবান্নের নির্দেশ পাওয়ার পরেই জেলা ট্যুরিজম কমিটির বৈঠক ডাকেন জেলা শাসক নীতিন সিংহানিয়া। বুধবার জেলা প্রশাসনিক ভবনের সভাগৃহে জেলা ট্যুরিজম কমিটির বৈঠকে জেলাশাসক ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মালদা হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্স, মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রতিনিধিরা সহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকরা ৷
জেলাশাসক নিতীন সিংহানিয়া বলেন, “মূলত ডিস্ট্রিক্ট ট্যুরিজম কমিটির বৈঠক ডাকা হয়েছিল ৷ জেলার পর্যটন কেন্দ্রগুলোর পরিকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে এই বৈঠক ডাকা হয়েছে৷ জেলার গৌড়, আদিনা আর জগজীবনপুর ও মালদা মিউজিয়ামের আরো কিছু পরিকাঠামো উন্নয়ন পাশাপাশি এই জেলায় আম ও রেশম নির্ভর পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে ৷ মালদার পর্যটন কেন্দ্রগুলো কে আরো বেশি করে কিভাবে প্রচারের আলোয় আনা যায় নিয়ে সেটা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বেশ কিছু ক্ষেত্রে পর্যটন-পরিকাঠামো উন্নয়ন করতে এর কমিউনিটি টয়লেট, পানীয় জলের ব্যবস্থা, আলো, পর্যটকদের নিরাপত্তা, থাকার ব্যবস্থা সহ বিভিন্ন বিষয়ে আজ বিশদে আলোচনা হয়েছে ৷ এগুলো দ্রুত রূপায়ণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি উজ্জ্বল সাহা বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মালদা সফরে এসে মালদা, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া নিয়ে যে টুরিজম সার্কিট হাব করার নির্দেশ দিয়েছেন। সেটাকেই বাস্তবে রূপ দিতে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। জেলার পর্যটন শিল্পকে আরো আকর্ষণীয় করার লক্ষ্যে গোটা দেশসহ বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরার জন্য একাধিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে ৷ মার্চ মাসের মধ্যেই এই সার্কিটকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে ৷ এর ফলে জেলায় কর্মসংস্থানের বিপুল সুযোগ তৈরি হবে ৷ পাশাপাশি পর্যটন শিল্পকে ভিত্তি করে জেলার অর্থনৈতিক উন্নতি হবে৷ এর জন্য জেলাশাসক যেভাবে উদ্যোগ নিয়েছেন তার জন্য বণিক সভার পক্ষ থেকে আমরা তাঁকে ধন্যবাদ জানাই ৷”





