Newsbazar24:এক শিশু কন্যাকে সরকারি হাসপাতালে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ খাওয়ানোর অভিযোগ। সেই ওষুধ খাওয়াতেই আশঙ্কাজনক অবস্থার সৃষ্টি হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।বর্তমানে শিশুটি মালদহের একটি বেসরকারি হাসপাতালে আশঙ্কাজানের অবস্থায় ভর্তি।
শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে জেলাশাসক ও জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লকের মিলনগড় গ্রামের বাসিন্দা মহম্মদ ওমর হোসেনের পাঁচ বছরের মেয়ে মেহেক ইসলামের পায়ে প্রায় এক মাস আগে টিউমার ধরা পড়ে। চিকিৎসা ও বিভিন্ন পরীক্ষার পর তার যক্ষা ধরা পড়ে। এরপর তাকে ডিটিসি সেন্টারে নাম নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরবর্তী চিকিৎসার জন্য পরিবারকে স্থানীয় মশালদহ বাজার গ্রামীণ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
চলতি মাসেই ওই হাসপাতাল থেকেই ওষুধ সংগ্রহ করে তাকে খাওয়ানো শুরু করা হয়। কিন্তু ওষুধ নেওয়ার পর থেকেই মেহেকের শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে থাকে। পরে দেখা যায়, গত ১০ দিন ধরে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধই খাচ্ছিল শিশুটি। গত রাতে তার শারীরিক পরিস্থিতি আরও গুরুতর হলে তাকে মালদহের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মেহেকের দাদা ইশতিয়াক আহমেদের অভিযোগ, হাসপাতালের ঔষধ বলে আমরা পরীক্ষা করে দেখিনা। হঠাৎ আমাদের চোখে পড়ে ঔষধটির মেয়াদ গত সেপ্টেম্বরেই শেষ হয়েছে। তাই পুরো বিষয়টি নিয়ে জেলাশাসক এবং মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি।”
ঘটনায় ঐ গ্রামীণ হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ তাপস মুখোপাধ্যায়ের জানান, “কোনও ওষুধ মেয়াদ উত্তীর্ণ হলেও কিছুদিন সেফটি পিরিয়ড থাকে। কীভাবে এই ওষুধ হাসপাতালে এল তা খতিয়ে দেখা হবে। শিশুটির পরিবারকে ডাকা হয়েছে এবং মেহেককে নতুন করে পরীক্ষা করা হবে। চিকিৎসার ব্যাপারে কোনও অবহেলা করা হয়নি।”
এ ঘটনায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে স্থানীয়দের মধ্যেও। চিকিৎসা ব্যবস্থার গাফিলতিতে নিরীহ শিশুর এই অবস্থার জন্য দায় কার? এখন সেই প্রশ্নই সামনে আসছে।





