Newsbazar24:আবারও মুর্শিদাবাদে গুলিবিদ্ধ এক যুবক। অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল নেতার গাড়ি থেকে গুলি ছোড়ার। শনিবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের সর্বাঙ্গপুর-পূর্বপাড়া এলাকায়। অভিযোগের তীর মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ শফিউজ্জামান শেখের। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে বিজেপির ওপর দায় চাপিয়েছেন এই তৃণমূল নেতা। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
জানা গিয়েছে, গুলিবিদ্ধ যুবকের নাম রিন্টু বিশ্বাস(২৭)। তাঁর বুকে গুলি লেগেছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় বর্তমানে সে মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন। স্থানীয়দের কাছ থেকে যায়, গ্রামের এক পুজো শেষে বিসর্জনের আগে পূর্বপাড়ার বাসিন্দারা গ্রাম প্রদক্ষিণ করছিলেন। সেই সময় একই রাস্তা দিয়ে একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ শফিউজ্জামান শেখ। শোভাযাত্রায় প্রচুর লোক থাকায় সেই রাস্তা দিয়ে যেতে পারছিল না তৃণমূল নেতা-কর্মীদের গাড়ি। সেই সময় কয়েকজন ব্যক্তি একটি গাড়ি থেকে নেমে প্রথমে শূন্যে ৭-৮ রাউন্ড গুলি চালায় বলে অভিযোগ। গ্রামবাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলে ওই ব্যক্তিরা আরও কয়েক রাউন্ড গুলি চালায়। সেই সময়েই গুলিবিদ্ধ হন রিন্টু বিশ্বাস নামে স্থানীয় এক যুবক। গ্রামবাসীদের অভিযোগ যে গাড়ির ‘কনভয়’থেকে গুলি চালানো হয়েছিল তার মধ্যে একটি গাড়িতে তৃণমূল নেতা শফিউজ্জামান শেখ।
যদিও গুলি চালানোর ঘটনার সময় এলাকায় উপস্থিত ছিলেন না বলে দাবি অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার। অভিযোগ উড়িয়ে শফিউজ্জামান বলেন, ‘আরজি কর হাসপাতালের ঘটনায় দ্রুত ন্যায় বিচারের দাবি জানিয়ে আমার সর্বাঙ্গপুরে একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল। সেখান থেকে ফেরার সময় আমি জানতে পারি একটি গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে। সর্বাঙ্গপুর এলাকায় বিজেপির যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। কিছু ব্যক্তি মদ্যপ অবস্থায় আমাদের দলের লোকেদেরকে গাড়ি নিয়ে সর্বাঙ্গপুরে আসতে বাধা দেয়। সেই সময় একটি গন্ডগোল হয়েছে। আমাদের দলীয় কর্মীদের একটি বাসও আটকে রাখা হয়েছে। বিস্তারিত আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি।’
অন্যদিকে বিজেপির বহরমপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি শাঁখারভ সরকার বলেন, ‘বাজনা বাজিয়ে গ্রামের লোকেরা ঠাকুর বিসর্জন দিতে যাওয়ার সময় গাড়ির হর্ন শুনতে পাননি। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে তৃণমূল কর্মীরা গুলি চালিয়েছে। এই ঘটনায় রিন্টু বিশ্বাস নামে এক নিরীহ গ্রামবাসী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।’



