Share on whatsapp
Share on twitter
Share on facebook
Share on email
Share on telegram
Share on linkedin

মায়ের কৃতকর্মের শাস্তি ভাগ করতে জেলে গেলো ২ বছরের শিশু সহ ৯ মাসের শিশুও

Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on email
Share on telegram
Share on linkedin

news bazar24 : এবার মায়ের কৃতকর্মের শাস্তি ভোগ করতে  হচ্ছে আড়াই বছরের নিরপরাধকে শিশুকে । প্রেমিককে  হত্যা মামলায়  জড়িত  মহিলাকে  জেলে  পাঠাতে গেলে তার সঙ্গে নিষ্পাপ ছেলেও জেলের ভেতরে চলে যায়। শুধু তাই নয়, অভিযুক্ত মহিলার গর্ভে বেড়ে উঠছে  আরও একটি ৯ মাস বয়সী একটি শিশুও। কিছুদিনের মধ্যেই কারাগারে আরেকটি সন্তানের জন্ম দেবেন এই খুনে অভিযুক্ত মহিলা ।

খবরের বিস্তারিত বলতে গেলে , বিহারের আরা জেলার জেলে  এক আড়াই বছরের নিষ্পাপ শিশুকে কলিযুগের  মায়ের অবৈধ সম্পর্ক ও প্রেমের জন্য শাস্তি পেতে হলো। এক কথায় , এই মহিলা তার প্রেমিককে খুনের অভিযোগে অভিযুক্ত এবং একই অপরাধে তার সন্তানকেও কারাগারে যেতে হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে  কৃষ্ণগড় থানার সোহরা গ্রামের।

ঘটনা সুত্রে প্রকাশ, গত সোমবার,  প্রেমিক চন্দন তিওয়ারি গোপনে বিবাহিত বান্ধবী এবং প্রাক্তম প্রেমিকা  রুবি দেবীর সাথে দেখা করতে আসেন। এই সময় দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় একসঙ্গে দেখে ওই নারীর স্বামী রাজু পাসওয়ান ও তার শ্বশুর-শাশুড়ি । এরপর  ওই যুবককে পিটিয়ে হত্যা করে বাড়ির লোকজন।

এই মামলায় অভিযোগ জমা পড়তেই কৃষ্ণগড় থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত বান্ধবী রুবি দেবী এবং তার স্বামী রাজু পাসওয়ান, শ্বশুর বীর বাহাদুর পাসওয়ান এবং শ্যালক শচীন পাসওয়ানকে গ্রেফতার করে। একই মামলায় অভিযুক্ত মায়ের সঙ্গে জড়িত তার আড়াই বছরের ছেলেও জেলে যাচ্ছে।

9 মাসের গর্ভবতী শিশুও জেলে !

নিষ্পাপ এখনও জানে না যে সে তার মায়ের পেট কোলে জড়িয়ে যে অন্ধকূপে যাচ্ছে, সে তার দোষ নয়। কারন অভিযুক্ত মহিলা ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলেও জানা গিয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে জন্ম নিয়ে একই অন্ধকূপে আসতে চলেছে যে শিশু।

প্রেমের সম্পর্ক অস্বীকার

পুলিশ খুনের বিষয়ে অভিযুক্ত রুবি দেবীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে মৃত চন্দনের সাথে তার প্রেমের সম্পর্কে মিথ্যা বলে জানিয়ে দিয়েছে। রুবি জানান, চন্দন ও তার স্বামীর সঙ্গে ব্যবসা সংক্রান্ত কোনো কিছু নিয়ে ঝগড়া হয়। এরপরেই দুজনেই একে অপরের সাথে মারামারি শুরু করেন। চন্দন তিওয়ারিই প্রথম  তার স্বামীর ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। তবে চন্দন কিভাবে মারা গেল ? সে এ বিষয়ে কিছুই জানে না।

ভোজপুরের এসপি সঞ্জয় কুমার সিং কি বললেন ?

এদিকে  ভোজপুরের এসপি সঞ্জয় কুমার সিং অবৈধ সম্পর্ক এবং প্রেমের সম্পর্কে হত্যা মামলার বিষয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে  তিনি জানান, শাহপুরের বাসিন্দা চন্দন তিওয়ারিকে প্রেমের সম্পর্ক ও অবৈধ সম্পর্কের জেরে তার বান্ধবী ও তার স্বামীর শ্বশুরবাড়ির লোকজন পিটিয়ে হত্যা করেছে। সেই কারনে পুলিশ খুনের সঙ্গে জড়িত বান্ধবী রুবি দেবী ও তার স্বামী রাজু পাসওয়ানসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। অভিযুক্ত বান্ধবী ও মৃত প্রেমিকের মধ্যে বিয়ের আগে থেকেই প্রেমের সম্পর্ক চলছিল যেখানে দুজনে গোপনে দেখা করতেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on email
Share on telegram
Share on linkedin