Newsbazar24:মহেশ তলায় দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি। দুষ্কৃতী তাণ্ডব চলে এলাকায়। দুষ্কৃতীরা পুলিশের উপর চড়াও হয়। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ও পাথর ছোড়া হয়। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। শুধু তাই নয়, রবীন্দ্রনগর থানার সামনে পুলিশের একটি বাইকে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় এবং পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এই ঘটনায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এলাকায় আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েনের দাবি করেছেন। পাশাপাশি বিধানসভায় এ ঘটনা নিয়ে জবাবদিহি চাইবেন।
এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ শুভেন্দু অধিকারী ভবানীভবনে ডিজি-র সঙ্গে দেখা করতে যান। সেখানে পুলিশের ভূমিকার কড়া নিন্দা করে তিনি বলেন, “পুলিশ ফেল, মমতা ফেল। ওখানে আইন-শৃঙ্খলা কাজ করছে না। আমরা যখন দরকার যাব। প্রত্যেকটা বাড়ি থেকে এফআইআর করানো, নিরাপত্তা দেওয়া, হিন্দুদের জন্য আমরা আছি। ধুলিয়ান, শামসেরগঞ্জ, মোথাবাড়িতেও যা করেছি, এখানেও তাই করব।”
শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, “মহেশতলায় পুলিশের গাড়িও ভেঙেছে। প্রচুর পুলিশ রক্তাক্ত। হিন্দুরা রক্তাক্ত। আমি এবং আমার পাঁচ সহকর্মী দেখা করতে এসেছিলাম মহামান্য ডিজি-র সঙ্গে। উনি দেখা করেননি মমতার নির্দেশে। কারণ আমরা জানি, সবাই ল্যাম্পপোস্ট। একটা পোস্ট। হিন্দু বিরোধী সরকার। মুসলিম লিগের সরকার। অত্যাচারীর সরকার। ধূলিয়ান, শামসেরগঞ্জ, মোথাবাড়ির পরে কলকাতার কাছে ১০ কিলোমিটার দূরে অত্যাচার। আগামিকাল প্রশ্নোত্তর পর্বের পর বিধানসভা চলতে দেওয়া হবে না।”
বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, রাজীব কুমার ঠান্ডা ঘরে বসে আছেন এবং পুলিশদের নিরাপত্তা দিতে পারছেন না। ৩৫ জন পুলিশ মার খেয়েছে, ১২টি পুলিশের গাড়ি ভেঙেছে। তিনি বলেন “জঙ্গিদের সরকার। জেহাদিদের সরকার। আগামী বছর রাজীব কুমারকে চাকরি করতে হবে। পালাতে তোমাকে দেব না। মমতা মুখ্যমন্ত্রী থাকবে না। এই সময়, ২০২৬, আজকে ১১ জুন লিখে রাখুন মমতা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হবে। রাজীব কুমারকে থাকতে হবে। আজকের দিন, সময় নোট করে নিয়ে আমি ভবানীভবন ছাড়ছি। আমার পুলিশ ভাইরা মার খাচ্ছে। পুলিশের ছেলেরা মার খাচ্ছে। মহিলারা মার খাচ্ছে।”





