Newsbazar24:বিধান সভার পরে পুরসভা এবং পঞ্চায়েত ভোটেও ব্যাপক বিপুল জয় পেল মহাজোট। একই সঙ্গে একক বৃহত্তম দল হিসাবে উঠে এল বিজেপি। ২৮৮টি পুরসভা ও নগর পঞ্চায়েত নির্বাচনে ২০৭টি পুরসভা গিয়েছে মহায়ুতির দখলে। মহা বিকাশ আগাড়ি আটকে গিয়েছে ৪৪টিতে।
রবিবার ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে উত্তেজনা ছড়াল মহারাষ্ট্রে। স্ট্রংরুমে ঢুকে পড়া থেকে শুরু করে গণনায় কারচুপির অভিযোগে বিক্ষোভ, অবরোধের মধ্যেই শুরু হলো গণনা। প্রথম থেকেই এগিয়েছিল মহাযুতি।
কংগ্রেস ও উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বাধীন মহা বিকাশ আঘাডি (এমভিএ) লড়াইয়ে অনেকটাই পিছিয়ে ছিল ।কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দফায় ৬৭.৩ শতাংশ এবং দ্বিতীয় দফায় ৪৭.০৪ শতাংশ ভোট পড়েছিল। বেশ কিছু আসনে শাসক জোটের অন্দরে ‘বন্ধুত্বপূর্ণ লড়াই’ চললেও, সামগ্রিক ফলাফলে বিজেপি নেতৃত্বাধীন মহাজুটির দাপট। এই বিশাল জয় রাজ্যের আসন্ন রাজনৈতিক সমীকরণে শাসক জোটকে কয়েক যোজন এগিয়ে দিল।
রবিবার গভীর রাতে সম্পূর্ণ ফলাফল প্রকাশ হয়। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিজেপি পেল ১১৭টি পুরসভা সভাপতির পদ। এর পরেই রয়েছে একনাথ শিন্ডের শিবসেনা (৫৩টি)। তার পরে এনসিপি (৩৭টি)। এনসিপি মোট ৮০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৩৭টিতে জয় পেয়েছে।
বিরোধী দলগুলির মধ্যে কংগ্রেস ২৮টি পদ জিতেছে। এনসিপি (শরদ পওয়ার গোষ্ঠী) পেয়েছে ৭টি, আর উদ্ধব ঠাকরে-নেতৃত্বাধীন শিবসেনা মাত্র ৯টি পুরসভার সভাপতি পদ নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে।
ফল প্রকাশের পরেই মহারাষ্ট্রবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে X হ্যান্ডলে পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি লেখেন, ‘মহারাষ্ট্র উন্নয়নের পক্ষে দাঁড়িয়েছে। বিজেপি ও মহায়ুতির উপরে আস্থা রাখার জন্য আমি মহারাষ্ট্রবাসীর কাছে কৃতজ্ঞ। এটি আমাদের জনকেন্দ্রিক উন্নয়ন ভাবনার প্রতি মানুষের বিশ্বাসের প্রতিফলন।’
মহারাষ্ট্রে কৃষক সংকট নিয়ে সরব হয়েছিলেন বিরোধীরা। মহিলা ও কৃষকদের সরকারি প্রকল্পে আংশিক অর্থ প্রদান নিয়েও সরব হয়েছিলেন বিরোধীরা। ভোটেও তার প্রভাব পড়বে বলে বলে অনুমান করা হয়েছিল। তবে কার্যক্ষেত্রে সেই রকম কিছুই দেখা যায়নি।



