Newsbazar24:ভূত চতুর্দশী কি? ভূত চতুর্দশী পালন করলে কি হয় আসুন জেনে নেওয়া যাক। হিন্দু শাস্ত্রে রয়েছে কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে কালীপুজোর ঠিক আগের দিন পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে প্রদীপ জ্বালানো হয়।
শাস্ত্রের বিধান অনুযায়ী যেমন মহালয়াতে পিতৃপুরুষদের উদ্দেশ্যে জল দান করা হয়, তেমনই বাঙালি হিন্দুদের কাছে এই তিথি ‘ভূত চতুর্দশী’। এছাড়াও পশ্চিম ও দক্ষিণ ভারতের একাংশে এই তিথিকেই ‘নরক চতুর্দশী’ বলে। পুরান অনুসারে, কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশীতে নরকাসুরকে বধ করেছিলেন শ্রী কৃষ্ণ। সে কারণেই বাঙালির ‘ভূত চতুর্দশী’।এ ছাড়াও ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে, এই দিনটি ছোট দিওয়ালি, রূপ চৌদাস, নরকা চৌদাস, রূপ চতুর্দশী বা নরকা পূজা নামেও পরিচিত।
কোথাও কোথাও এই দিনে যমরাজ ও শ্রী কৃষ্ণের পুজো করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস মেনে ভূত চতুর্দশীর দিন মৃত্যুর দেবতা যমের নামেও দীপদানের প্রথা প্রচলিত রয়েছে। এদিন যম রাজের নামে আটা দিয়ে চতুর্মুখী প্রদীপ বানিয়ে বাড়ির প্রবেশ দ্বারে রাখেন।



