ব্ল্যাক হোলের রহস্য ভেদে নববর্ষের প্রথম দিনে ইসরোর নয়া অভিযান

Newsbazar24: নব বর্ষে প্রথম দিনে আবারও সাফল্য ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশনের। সোমবার সফল উৎক্ষেপণ হল পিএসএলভি-সি৫৮ যা বহন করছে ‘এক্সপোস্যাট’-এর। এই সফল উৎক্ষেপণ হয়েছে শ্রীহরি কোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারে থেকে। এই উৎক্ষেপণের ফলে ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় দেশ হয়ে উঠল।
এই স্যাটেলাইট মহাকাশে ব্ল্যাকহোলের সন্ধান ও পর্যবেক্ষণ করবে। এছাড়াও এক্সপোস্যাটের তালিকায় রয়েছে ৫০ টি শক্তির উৎস পর্যবেক্ষণ। বিজ্ঞানীরা এই কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে মহাকাশের নিউট্রন স্টারগুলিকেওূ করবেন।
নাসা এই ব্ল্যাক হোলকে মহাকর্ষীয় টান সহ একটি জ্যোতির্বিদ্যার বস্তু হিসাবে জানিয়েছে।
ইসরোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মহাকাশে এই কৃত্রিম উপগ্রহের আয়ু পাঁচ বছর। এক্সপোস্যাট পৃথিবীর ওপরে নিচু কক্ষপথে প্রদক্ষিণ করবে। ভূমি থেকে তার সর্বোচ্চ উচ্চতা ৫০০ থেকে ৭০০ কিমি।
অনেকগুলি নিউট্রন কণা একত্রিত হয়ে যা তৈরি হয়, তার নাম নিউট্রন স্টার। এই ধরণের নক্ষত্র অনেক ছোট আকারের হয়। নিউট্রন স্টারের ব্যাসার্ধ ৩০ কিমির বেশি নয়। সেইসব নক্ষত্রকে পর্যবেক্ষণ করবে এক্সপোস্যাট। মহাকাশে এক্স রশ্মির উৎসব খুঁজবে এক্সপোস্যাট। ইসরো এর মাধ্যমে কৃষ্ণগহ্বর সম্পর্কে গবেষণায় নতুন দিক নির্নয় করতে চলেছে।
ইসরো থেকে আরও জানা যায় , এক্সপোস্যাট হল ভারতের প্রথম ডেডিকেটেড পোলারিমেট্রি মিশন, যা চরম পরিস্থিতিতে উজ্জ্বল জ্যোতির্বিজ্ঞানের এক্সরে উৎসগুলির বিভিন্ন গতিবিদ্যা অনুসন্ধান করবে।