Newsbazar24:তৃণমূল নেতা তথা পঞ্চায়েত সমিতির বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষকে লাইটপোস্টে বেঁধে গণপিটুনির অভিযোগ। জানা যায় শুক্রবার রাতে খাস জমি থেকে উচ্ছেদ করতে গিয়ে এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না থানার মল্লিকমোড় এলাকার ঘটনা। ৬ জনের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধীদের মধ্যে তরজা শুরু হয়েছে। ময়না থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
তৃণমূল সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে পঞ্চায়েত সমিতির বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ সন্দীপন দাস সহ কয়েকজন খেলা দেখে বাড়ি ফিরছিলেন। সেসময় তারা দেখতে পান, স্থানীয় একটি মসজিদের সামনের কিছু ব্যক্তি খাস জমি দখলের চেষ্টা করছে। সেই ঘটনাটি দেখে সন্দীপন ও অন্যান্যরা ওই ব্যক্তিদের সেই কাজ করতে নিষেধ করেন। এই নিয়ে সন্দীপনের সঙ্গে অভিযুক্তদের বচসা বাঁধে, শুরু হয় তর্কাতর্কি। এরপরই ওই নেতাকে মারধর শুরু এবং একটি ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে রাখে বলে অভিযোগ। প্রায় আধঘণ্টা পর ওই তৃণমূল নেতাকে উদ্ধার করা হয়। প্রথমে তাঁকে ময়না স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তমলুকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনা ঘিরে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে।
স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, তৃণমূল নেতারা সবসময় তোলা তুলতে ব্যস্ত। আতাউর নামে একজন গরিব মানুষকে বাড়ি করে দেওয়ার নামে তোলা চেয়েছিল ওই বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ। সেই টাকা না পেয়ে বাড়ি ভাঙচুর করতে যান সন্দীপন। তখনই স্থানীয়রা তাঁকে মারধর করেন।
যদিও তৃণমূল ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, ওই এলাকায় জমি জোর করে দখলের চেষ্টা রুখতে যাওয়ায় এই ঘটনা।





