news bazar24: তৃণমূল নেতা দুলাল সরকার খুনের ঘটনায় পুলিশের গাফিলতির কথা সরাসরি বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার নির্দেশে ফিরহাদ হাকিম এবং সাবিনা ইয়াসমিন মালদায় ছুটে যান। বর্ষীয়ান নেতার শেষযাত্রায় কাতারে কাতারে বাড়ছে ভিড়। সেই ঘটনার তদন্তে ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়েছে বিহার সংযোগ। তবে কি সাক্ষীদের কি বিহার থেকে সুপারি আনা হয়েছিল? এমনই প্রশ্ন উঠছে পাড়ায় পাড়ায় ।
বৃহস্পতিবার, মালদহের এক প্রবীণ নেতা ও তৃণমূলের জেলা সহ-সভাপতি দুলাল সরকার দিনের আলোতে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। নবান্নে বসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা এই ঘটনার জন্য পুলিশ সুপারকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, ‘পুলিশ সুপারের অযোগ্যতার কারণে এমনটি হয়েছে।’ এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পঞ্চম অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে বিহার থেকে।
মালদা জেলা পুলিশের অভিযানে মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর সংলগ্ন বিহার এলাকা থেকে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম আব্দুল গণি (২৩)। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সুপারি কিলাররা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বও এই সন্দেহ উড়িয়ে দিচ্ছেন না। এদিকে আজ শুক্রবার দুলাল সরকারের শেষ যাত্রায় অনেক অনুসারী ভিড় জমিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার নিজের দোকানের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন দুলাল সরকার। সিসিটিভিতে দেখা গেছে, ওই সময় দুই যুবক মুখে মাফলার পেঁচিয়ে এগিয়ে আসেন। তাদের হাতে বন্দুক ছিল। তাদের দেখে দুলাল দৌড়ে দোকানের ভেতরে চলে যায়। দুই যুবকও দোকানে ঢুকে গুলি চালায়। তাদের মধ্যে একজন বন্দুকের ট্রিগার বের করলেও গুলি বের হয়নি। অন্যজন গুলি চালায়। একটি গুলি দুলালের মাথায় লাগে। তিনি দোকানের ভিতরে লুটিয়ে পড়েন। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে দুলাল সরকার মারা যায়।



