Newsbazar24:বিহারের সর্বকনিষ্ঠ বিধায়ক হলেন জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী মৈথিলী ঠাকুর।রাষ্ট্রীয় জনতা দলের হেভিওয়েট প্রার্থীকে হারিয়ে তিনিই হলেন বিহারের সর্বকনিষ্ঠ বিধায়ক। ২০২৬ এর বিহার বিধানসভা নির্বাচনে তাকে দাঁড় করিয়ে বড় চমক দিয়েছিল বিজেপি। এবার ২৫ বছরের এই তরুণীই আলিনগর থেকে হেসে খেলে ভোটে জিতলেন।
এই আলিনগর বিহার নির্বাচনে হেভিওয়েট প্রতিযোগিতার জায়গা। গত নির্বাচনে ভিআইপি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছিল।
মৈথিলী ঠাকুরের মনোনয়ন বিজেপির একটি কৌশলগত পদক্ষেপ। তরুণদের মধ্যে মৈথিলীর জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে মিথিলাঞ্চল অঞ্চলে তার জনপ্রিয়তাকে আরও জোরদার করতে চাইছিল গেরুয়া শিবির। তাই আলিনগরে তাঁকে টিকিট দেওয়া হয়েছিল। আরজেডির হেভিওয়েট বিনোদ মিশ্রকে পরাজিত করে, বিপুল ভোটে জয় এনেছেন মৈথিলী ঠাকুর। প্রায় ১২ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন তিনি। বিহারের রাজনীতিতে তিনিই বোধহয় সর্বকনিষ্ঠ বিধায়ক হতে চলেছেন
বিজেপিতে যোগদান করেই মৈথিলী বলেছিলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারের কাজে মুগ্ধ হয়ে সমাজের সেবা করতে ও বিহারের উন্নয়নে অবদান রাখতে এসেছি।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তাঁর জনপ্রিয়তা, সাদামাটা ভাব এবং তরুণ ভোটারদের প্রতি বিশেষ আবেদনই তাঁকে এই ঐতিহাসিক জয়ের পথে এগিয়ে দিয়েছে।
জনপ্রিয় সঙ্গীত রিয়্যালিটি শো ইন্ডিয়ান আইডলের ১২ তম মরশুমে মৈথিলীকে দেখা গিয়েছিল প্রতিযোগী হিসেবে। এরপর প্লে ব্যাকও করেছেন। বেশ জনপ্রিয় তিনি বিহারের তরুণ প্রজন্মের কাছে। তিনি বলিউডের ছবিতেও গান গেয়েছেন। এছাড়া মৈথিলী, ভোজপুরি, আওয়াধি সহ আরও অন্যান্য নানা ভাষায় গান গেয়েছেন।
মাত্র ৪ বছর বয়সে সঙ্গীতের জগতে প্রবেশ করেন। বাড়িতেই বাবা মা উভয়ই গানের জগতের মানুষ। ১০ বছর বয়স থেকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গান গাওয়া শুরু করেন ।
নির্বাচনী প্রচারে মৈথিলীর সুরেলা কণ্ঠ, গ্রাম-বাংলার মানুষের সঙ্গে সহজাত যোগাযোগ এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর বিপুল জনপ্রিয়তা ভোটের ময়দানে বাড়তি শক্তি জুগিয়েছে। প্রচারসভায় তিনি বলেছেন, ‘আমি আপনাদের মেয়ে, আপনাদের ভালোবাসা যদি পাই, আলিনগরকে বদলে দেব’—এই সাদামাটা প্রতিশ্রুতি মানুষের মন ছুঁয়ে দিয়েছিল। সেই ভালোবাসারই প্রতিফলন দেখা গেল ভোটের বাক্সে।






