বাসন্তীতে বিস্ফোরণ, গুরুতর জখম চতুর্থ শ্রেণির পড়ুয়া
দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তী এলাকায় বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় ফের প্রশ্নের মুখে গ্রামীণ নিরাপত্তা। আমঝাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের খড়িমাচান এলাকায় ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছে এক নাবালক ছাত্র। আহত শিশুর নাম কালো গায়েন। সে স্থানীয় স্কুলে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণের জেরে শিশুটির ডান হাত এবং চোখে গুরুতর আঘাত লেগেছে। প্রথমে তাকে নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। চিকিৎসকদের মতে, শিশুটির শারীরিক অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক।
ঘটনাস্থল ঘিরে এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়ায়। জানা যাচ্ছে, ওই এলাকায় একটি স্থানীয় ক্লাবের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দুই পরিবারের মধ্যে মতবিরোধ চলছিল। সেই বিবাদ মেটাতে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তার আগেই সংশ্লিষ্ট একটি বাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
জাতীয় সড়কে ট্রাক–বাস সংঘর্ষ, আগুনে পুড়ে প্রাণ গেল ১০ যাত্রীর
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, ঘটনার সময় আশপাশে একাধিক শিশু খেলাধুলা করছিল। হঠাৎ বিস্ফোরণের শব্দে চারদিকে হইচই শুরু হয়। তড়িঘড়ি আহত শিশুকে উদ্ধার করা হয়। কী কারণে বিস্ফোরণ ঘটল এবং সেটি কীভাবে তৈরি হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
বাসন্তী থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এলাকা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য নেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
আবারো আক্রান্ত পুলিশ, চোর ধরতে গিয়ে বেধড়ক মার খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৭ পুলিশ কর্মী
এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলেও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিরোধীদের তরফে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। অন্যদিকে শাসক শিবিরের বক্তব্য, ঘটনার সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক যোগ নেই।
নাবালক পড়ুয়ার উপর এমন মর্মান্তিক ঘটনার পর ফের একবার গ্রামবাংলায় বেআইনি বিস্ফোরক ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের চিহ্নিত করার দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।





