Newsbazar24:বিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে এবার বিধায়ক এলাকা উন্নয়ন তহবিলের টাকা ব্যবহারে বাধা প্রদানের অভিযোগ তুলে রাজ্য সরকার ও জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে অনশনে বসলেন শিলিগুড়ির বিধায়ক তথা বিধানসভায় বিজেপির মুখ্য সচেতক শঙ্কর ঘোষ।
বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ির হাতিমোড়ে অনশনে বসেন তিনি। এদিন তাঁর সঙ্গে অনশন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি রাজু সাহা, শিলিগুড়ি পুরনিগমের বিরোধী দলনেতা অমিত জৈন, তিন বিজেপি কাউন্সিলর-সহ অন্যান্যরা৷
শঙ্কর ঘোষের অভিযোগ, তাঁর বিধায়ক এলাকা উন্নয়ন তহবিল থেকে শহরের একাধিক প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ টাকা একাধিক অজুহাতে আটকে রেখেছে। বারবার এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, সংশ্লিষ্ট দফতরের মন্ত্রী থেকে জেলা প্রশাসন, রাজ্য সরকার, শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, শিলিগুড়ি পুরনিগমের মেয়রকে জানালেও কোনও লাভ হয়নি। ফলে এতে তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার নোংরা ষড়যন্ত্র করছে রাজ্য সরকার ও শাসকদল।
অনশন মঞ্চ থেকে সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শঙ্কর ঘোষ জানান যে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা রাজ্য সরকারের কোনো কর্মকর্তাই বিধায়ক তহবিলের টাকা ব্যবহারে সহযোগিতা করেননি।
শঙ্কর ঘোষ বলেন,রাজ্য সরকার বিরোধী জনপ্রতিনিধিদের হেনস্থা করছে। অন্য অনেক বিধায়কের মতো আমাকেও আমার বিধায়ক তহবিল ব্যবহার করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। আমি বিধানসভার মধ্যে আমাদের মুখ্যমন্ত্রীকে একটি ডেপুটেশন জমা দিয়েছিলাম। তিনি কোনও উত্তর দেননি। আমি মুখ্যসচিবকে চিঠি লিখেছি, স্পিকারকে জানিয়েছি। আমি শিলিগুড়ি পৌরসভার মেয়রকে আমার সঙ্গে বসে পুরো বিধায়ক তহবিলের টাকা ব্যবহারের জন্য অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে কোনও রকম সহযোগিতা পাওয়া যায়নি।
বিধায়ক তহবিলের জন্য বরাদ্দ টাকা ‘খুবই কম’ উল্লেখ করে ঘোষ বলেন,আজ আমি অনশনে বসেছি এবং এটা কালও চলবে। তিনি আরও বলেন যে, অন্যান্য বিরোধী বিধায়করাও বরাদ্দ উন্নয়ন তহবিল ব্যবহারে একই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।



