Share on whatsapp
Share on twitter
Share on facebook
Share on email
Share on telegram
Share on linkedin

বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন  তাল ক্ষীর , একবার যে খাবে আপনাকে মনে রাখবে

Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on email
Share on telegram
Share on linkedin

রাঁধা মুসাদ্দি (news bazar24) : বাংলার ভাদ্র মাষ মানেই পাকা তাল ।শ্রীকৃষ্ণের জন্মঅষ্টমী মানেই তালের বড়া। বলাবাহুল্য, বহুকাল আগে থেকেই বর্ষাকালের শেষের দিক থেকে তালের বড়া, তালের মালপোয়া, তালের রুটি আমাদের রসনা তৃপ্ত করে চলে আসছে । খালি কি তাই ?  তাল শুধু যে খেতে সুস্বাদু তা নয় তালের অনেক গুনাগুনও আছে যা কমবেশি আমদের সকলেরই জানা।

গ্রীষ্মের দাবদহ থেকে রেহাই পেতে আমরা কাঁচা তালের  শাঁস খেয়ে থাকি, যা শরীরকে ঠান্ডা ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে। ইংরেজ সাহেবরা এদেশে এসে যখন এর স্বাদগ্রহণ করেন তখন এর নাম দেন “আইস আপেল।

তাল যে শুধুমাত্র আমাদেরই পছন্দের তা নয়, আমাদের গোপাল ঠাকুরেরও তাল বেশ প্রিয়।তাই আজও  জন্মাষ্টমীর দিনে ঠাকুরকে দেওয়া হয়  তাল ক্ষীর ও তালের বড়া  নিয়ে। আমরা আজ নিজের বাড়িতে  তাল ক্ষীর কি ভাবে বানিয়ে ফেলবেন  এই বিষয়ে আলোচনা করবো –

তাল ক্ষীর তৈরি করে যে  উপকরন প্রয়োজন

তাল ক্ষীর তৈরি করার জন্য লাগবে:

১. তাল চাঁছা রস ২ কাপ।

২. চিনি ১-১/২ কাপ।

৩. দুধ ৫০০ মিলি।

৪. ছোটএলাচ ২টি।

৫. সামান্য জাফরান।

৬. নারিকেল কোরা ১/২ কাপ।

৭. কাজুবাদাম কুঁচি ১ টেবিল চামচ।

এবার জেনে নিন তাল ক্ষীর তৈরির পদ্ধতি:-

প্রথমে একটি পাত্রে দুধ নিয়ে তাতে ছোটোএলাচ ও জাফরান দিয়ে ভাল করে ফুটিয়ে ঘন করে নিতে হবে। দুধ ফুটে ঘন হয়ে অর্ধেক হয়ে গেলে গেলে তা ঠান্ডা করতে দিতে হবে, কারণ গরম দুধ তালে দিলে দুধ কেটে যাবে।

এরপর, একটি কড়াই নিয়ে তাতে তাল চেছে রাখা রস দিয়ে দিতে হবে এবং অল্প আঁচে ক্রমাগত নাড়তে থাকতে হবে, তা নাহলে তাল কড়াইয়ের নিচের অংশে লেগে গিয়ে পুড়ে যেতে পারে।

এইভাবে নাড়তে নাড়তে যখন তালের রস ঘন হয়ে আসবে তখন তাতে আগে থেকে ঠান্ডা করে রাখা দুধ দিয়ে দিতে হবে ও ক্রমাগত নেডেচেড়ে তালের সাথে ভাল ভাবে মিশিয়ে ফেলতে হবে যাতে তাতে কোন দলা পাকানো অংশ না থাকে।

কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করার পর যখন দুধ ও তালের মিশ্রনটি যখন গাঢ় হয়ে যাবে তখন তাতে নারিকেল ও চিনি দিয়ে দিতে হবে এবং বেশ কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করতে হবে।

চিনি যখন সম্পুর্ন গলে গিয়ে দুধ ও তালের মিশ্রণের সাথে মিশে যাবে তখন তাতে কুঁচি করে রাখা কাজু ছড়িয়ে দিয়ে ২-৪ বার নাড়াচাড়া করে নামিয়ে নিতে হবে। ব্যাস, তৈরি হয়ে গেল তাল ক্ষীর।

কিছুক্ষণ ফ্রিজে ঠান্ডা করার পর ঠান্ডা ঠান্ডা তাল ক্ষীর সবাইকে পরিবেশন করলে দেখবেন সবাই খুব আনন্দ করে খাচ্ছে। এবং তালের বিভিন্ন খাদ্য গুন আছে যা আপনার শরীর ভালো রাখবে।

 

Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on email
Share on telegram
Share on linkedin