Newsbazar24:পয়লা বৈশাখ,বাংলা পঞ্জিকা অনুসারে বৈশাখ(বাংলা প্রথম মাসের ১ তারিখ) তথা নববর্ষ। এই দিনটি বাংলাদেশ এবং ভারতের বিভিন্ন অংশে যেমন পশ্চিমবঙ্গে, আসাম,উড়িষ্যা,মনিপুর ও ত্রিপুরায় মহাসমারোহে সাড়ম্বরে উদযাপিত হয়। নববর্ষ বাংলা নতুন বছরের সূচনার নিমিত্তে বাঙ্গালিরা পালন করে থাকে, কিন্তু বর্তমানে তা সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে।এখন দেশের বাইরে ও অনেক জায়গায় প্রবাসী বাঙালিদের জন্য নববর্ষের দিন বৈশাখী মেলা অনুষ্ঠিত হয়। তবে অতীতে নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ ‘ঋতুধর্মী উৎসব’ হিসেবে পালিত হত। তখন এর মূল তাৎপর্য ছিল কৃষিকাজ।
বাঙ্গালি সমাজ বিপুল উৎসাহ এবং উদ্দীপনার সাথে মহা আনন্দে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।সারা চৈত্র মাস জুড়েই চলতে থাকে বর্ষবরণের প্রস্তুতি। চৈত্র মাস থেকেই দোকানে দোকানে চলে “চৈত্র সেল” (জিনিসপত্র ক্রয়ের উপর দেওয়া হয় বিশেষ ছাড়)। ‘চৈত্র মাসের শেষ দিন অর্থাৎ চৈত্র সংক্রান্তিতে পালিত হয় চড়কপূজা অর্থাৎ শিবের উপাসনা। তাছাড়া এখনো বাংলার বহু পরিবারে চৈত্র সংক্রান্তির দিনে নানারকম তেতো শাক খাওয়া, কোন কোন পরিবারে আবার পূর্ব পুরুষদের উদ্দেশ্যে খই গুরু করে গুড় দিয়ে নাড়ু তৈরি করার প্রচলন ও আছে। এইভাবে সারা চৈত্রমাস জুড়ে নানা রীতিনীতি পালনের মধ্য বছরকে বিদায় জানিয়ে নূতন বছরকে স্বাগত জানায়।
বছরের প্রথমদিন অনেকেই সকাল বেলায় নূতন জামাকাপড় পরে গৃহস্থ এর মঙ্গল কামনায় মন্দিরে মন্দিরে পূজা দিতে যায়। ছোটরা বড়দের প্রণাম জানায়
সকলেই তার আশেপাশে থাকা লোকজনের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করে। বাড়িতে বাড়িতে চলে ভুরিভোজ। সকলেই তাদের সামর্থ্য মত মাছ, মাংস ও নানারকম মিষ্টি দিয়ে রসনা চরিতার্থ করে। ব্যবসায়ীরা সকাল সকাল গণেশ পূজার মধ্য দিয়ে নতুন হালখাতা খুলে। দোকানে দোকানে চলে মিষ্টি খাওয়া। ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় বসে মেলা।






