Newsbazar24: বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন। রবিবার অচৈতন্য অবস্থায় তাঁকে সল্টলেকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। যদিও চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে তিনি চলে গেলেন না ফেরার দেশে। সঙ্গীত নাটক আকাদেমি পুরস্কার জয়ী নট ও নাট্যকারের প্রয়াণে বাংলা সংস্কৃতি জগতে অপূরণীয় ক্ষতি।
তার পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে,এদিন সল্টলেকের ক্যালকাটা হার্ট ইন্সিটিউটে ভর্তি করা হয় বর্ষিয়ান এই অভিনেতাকে। হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছিল, তাঁর হৃদযন্ত্র ঠিক মতো কাজ করছে না। এছাড়াও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে নেই। ক্রিয়েটিনিন বিপজ্জনক মাত্রায় বেড়েছে। সোডিয়াম-পটাসিয়ামেরও সমস্যা রয়েছে। প্রবীণ অভিনেতার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছিল। যদিও চিকিৎসকদের সমস্ত চেষ্টা বৃথা গেল।
১৯৫৮ সালে স্কটিশ চার্চ কলেজে থাকাকালীন থিয়েটারে প্রবেশ। সঙ্গী হিসেবে ছিলেন বাদল সরকার, রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্তের মতো শিল্পীরা।
১৯৭৯ সালে তিনি চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে নাট্যকলা বিভাগের অধ্যক্ষ ছিলেন তিনি । যদিও প্রথম নাটক ‘মৃত্যুর চোখে জল’ লেখেন ১৯৫৯ সালে কিন্তু ১৯৭২ এ ‘চাক ভাঙা মধু’ নাটকের মাধ্যমে তিনি পরিচিতি তৈরি হয়। ওই নাটকটির মঞ্চ নির্দেশনা করেন বিভাস চক্রবর্তী। থিয়েটারের মতোই চলচ্চিত্রে অভিনয় করেও খ্যাতি অর্জন করেন শিল্পী। তাঁর মৃত্যু একটি যুগের অবসান হল।





