news bazar24: পূর্ব বঙ্গে তথা বাংলাদেশে অশান্তির আগুন। জায়গায় জায়গায় সংখ্যালঘুদের ওপর চালানো হচ্ছে হামলা । সংখ্যালঘুরা বাংলাদেশ থেকে পালানোর চেষ্টা করছে। প্রায় প্রতিদিনই বাংলাদেশের কোথাও না কোথাও অশান্তির খবর আসছে। এরই মধ্যে ভারত থেকে বাংলাদেশে ৩৬টি ওয়াগন পাঠানো হলো । বৃহস্পতিবার নদীয়া জেলার গেদে সীমান্ত দিয়ে এই ওয়াগন গুলি বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসিনা সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে করা চুক্তি অনুযায়ী এসব ওয়াগন পাঠানো হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেলেও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিষয়টি সঠিক নয় ।
ইস্টার্ন রেলওয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা দীপ্তিময় দত্ত বলেন, ‘ভারতের একটি বেসরকারি কোম্পানির সঙ্গে ওয়াগন পাঠানোর চুক্তি অনুযায়ী ওই কোম্পানি আজ ৩৬টি খালি ওয়াগন পাঠিয়েছে। ওয়াগনগুলো গেদে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে।’ বাংলাদেশে অস্থিরতা শুরু হওয়ার পর থেকে কলকাতা থেকে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে বিভিন্ন কারণে ভারত থেকে বাংলাদেশ বা বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাতায়াত করতে হয় এমন উভয় দেশের ব্যবসায়ীরা সমস্যায় পড়েছেন। সবাই চায় পদ্মার তীরবর্তী দেশে অস্থিরতা দ্রুত শেষ হোক এবং পরিস্থিতি শান্ত হোক।
ভারতের জাতীয় পতাকার অবমাননা এবং বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচারের কথা ইতিমধ্যেই সরব সকলেই। কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতাল জানিয়েছে, তারা কোনো বাংলাদেশি রোগীকে ভর্তি করবে না। পার্শ্ববর্তী রাজ্য ত্রিপুরার হোটেল মালিকরা বলেছেন, তাদের হোটেলে কোনো বাংলাদেশিকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। মালদহের হোটেল মালিকরাও একই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও বাংলাদেশের পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং সকল শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ চায় দুই দেশের মধ্যে আবারও বাণিজ্য ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য গড়ে উঠুক। গেদে সীমান্তের বাসিন্দা অলোক বিশ্বাস বলেন, ‘এই মালবাহী ট্রেন পাসিং একটি ভাল ব্যাপার । দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি হলে সবকিছুর ওপর প্রভাব পড়বে।’





