news bazar24 ঃ ভোট আসে ভোট যায়,সরকার আসে সরকার যায়।স্বাধীনতার ৭৭ বছর পরেও রাস্তা হয়নি।তাই এবার রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে কাঁচা রাস্তা পাকা করার দাবীতে বিক্ষোভ দেখালেন মালদহের হরিশচন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লকের কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের বাংলা বিহার সীমান্তবর্তী সংযোগকারী ওয়ারি দৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দারা।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,দৌলতপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ডক্টর জমিল আক্তারের বাড়ি পর্যন্ত ৪০০ মিটার রাস্তা এবং দৌলতপুর ব্রিজ থেকে হুসেনপুর বাজার পর্যন্ত প্রায় ১ কিলোমিটার রাস্তা এই দুই রাস্তা দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে বেহাল অবস্থায় পরে রয়েছে।বৃষ্টি হলে কর্দমাক্ত পথ দিয়ে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে হয় আট থেকে আশি সকলকে।
গ্রামের মধ্যে অ্যাম্বুলেন্স,দমকল ঢোকে না।অসুস্থ রোগীকে খাটিয়াতে করে বহুদূর নিয়ে গিয়ে তারপরে গাড়িতে করে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়।স্থানীয় জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে প্রশাসনিক আধিকারিকদের লিখিত ভাবে জানিয়েও হয়নি কোন কাজ।প্রশাসনিক উদাসিনতার জন্য এই অবস্থা বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।তাই কাঁচা রাস্তা পাঁকা করার দাবিতে রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামের বাসিন্দারা।বিক্ষোভকারী গ্রাম বাসীদের অভিযোগ,রাস্তা গর্তে খনকান্ডে ভরা।রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে অনেক সমস্যা হয়।বৃষ্টি হলে পথ চলতি মানুষের প্রচুর সমস্যা হয়।অ্যাম্বুলেন্স, দমকল, এই রাস্তায় প্রবেশ করতে পারে না। স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা ও রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে অসুবিধার মুখে পড়ে। লিখিতভাবে জানিয়েছি প্রশাসন থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের।তবুও কোন কাজ হয়নি।এবার যদি রাস্তা না হয় আগামী বিধানসভা ভোটে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবো এবং ভোট বয়কট করব।
স্থানীয় বাসিন্দা শামসুদ্দিন বলেন,আমরা মূলত দুটি রাস্তার দাবিতে আজকে বিক্ষোভ দেখালাম। দীর্ঘদিন ধরে এই রাস্তাগুলি সংস্কার হচ্ছে না।আমাদের দাবি ভোটের আগে এই রাস্তা দুটি ঠিক করা হোক,না হলে আমরা ভোট বয়কট করব।
আরেক বাসিন্দা মোঃসাব্বির বলেন,আমার বয়স ৪২ বছর হয়ে গেল কিন্তু এই রাস্তা এখনো মেরামত করতে দেখি নি। পঞ্চায়েত থেকে বিধায়ক প্রত্যেক শাসক দলের প্রতিনিধি বারবার জানিও কোন কাজ হয়নি।তাই আমরা আজকে বিক্ষোভ দেখালাম।
এ প্রসঙ্গে হরিশ্চন্দ্রপুর এক নম্বর ব্লকের বিডিও সৌমেন মন্ডল বলেন, ওই দুটি রাস্তায় ইতিমধ্যে পথশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে করা যায় কিনা সে বিষয়ে জেলায় প্রপোজাল পাঠানো হয়েছে।ব্লক থেকে সরাসরি এই রাস্তা করা সম্ভব নয় তার জন্য অর্থ দপ্তরের অনুমোদন দরকার হয়।





