Share on whatsapp
Share on twitter
Share on facebook
Share on email
Share on telegram
Share on linkedin

নিয়মিত আলুর পায়েস খান ! বাড়িতেই তৈরি করুন আলুর পায়েস

Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on email
Share on telegram
Share on linkedin

পায়েল কুমারী, জব্বল্পুর (news bazar24) :  আমাদের বাংলায় পায়েস সাধারণত দুধ ও চাল দিয়ে তৈরি করা হয়, তবে এছাড়াও মোটামুটি ২৫ ধরনের পায়েস তৈরি হয় ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ।তবে যে কোন  পায়েসের উত্‍পত্তি স্থল কিন্তু ভারতবর্ষে।

আজ আমি আপনাদের কাছে হাজির হয়েছি “আলুর পায়েস” নিয়ে। কেউ কেউ আলুর পয়েসে রাঙালুর ব্যবহার করে থাকেন তবে আমি এইখানে শুধু আলুর ব্যবহার করেছি। আপনারাও বাড়িতে বসে এই লোভনীয় পদটির আস্বাদ গ্রহণ করতে পারেন।

 কিভাবে করবেন ? আসুন শুরু করা যাক।

আলুর পায়েস তৈরির করতে যা লাগবে

আলুর পায়েস তৈরি করার জন্য লাগবে:

১. আলু মাঝারী সাইজের ৩টি।

২. গরুর দুধ ৫০০ মিলি।

৩. ঘি ২ চা-চামচ।

৪. নকুল দানা ১/২ মুঠো। ১০০ গ্রাম

৪. মিঠাই মেট (বা মিল্ক মেড) ১ টেবিল চামচ।

৫. কাজু গোঁটা ১০-১২টি।

৬. জাফরান ১ চিমটি।

আলুর পায়েস তৈরির যে ভাবে করবেন-

১) প্রথমে আলুগুলিকে ভাল করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে যাতে আলুর গায়ে একটুও খোলা লেগে না থাকে। এরপর, একটি স্ক্রাপারের সাহায্যে আলুগুলিকে ছেচে নিতে হবে এবং আলুগুলি ছাঁচা হয়ে গেলে, সঙ্গে সঙ্গে তা পরিষ্কার জল দিয়ে ২-৩ বার ভাল করে ধুয়ে নিতে হবে না।এরপর, একটি পাত্রে জল নিয়ে তাতে আলুগুলিকে ১০ মিনিটের জন্য জলে ডুবিয়ে রেখে দিতে হবে।

২) এরপর, দুধকে একটি পাত্রে নিয়ে তা গরম করতে হবে। দুধ গরম হয়ে গেলে তা নামিয়ে নিয়ে ঠান্ডা হতে দিতে হবে। এক্ষেত্রে আপনারা চাইলে প্যাকেট দুধ ব্যবহার করতে পারেন অথবা গুঁড়ো আমূল দুধ জলে ঘন করে গুলে তাও ব্যবহার করতে পারেন।

৩) একটি কড়াই নিয়ে তা গরম করতে হবে। কড়াই গরম হয়ে গেলে আঁচ কম করে লো ফ্লেমে কড়াইতে ঘি দিয়ে দিতে হবে। ঘি গলে গেলে, জল থেকে আলুগুলিকে ছেঁকে তুলে তা জল ঝড়িয়ে  কড়াইতে দিয়ে দিতে হবে এবং ক্রমাগত নাড়াচাড়া করতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে, যেন কড়াইতে আলু লেগে না যায়।

কিছুক্ষণ পর, আলু থেকে কাঁচা গন্ধ চলে গেলে তাতে গরম করে রাখা দুধ দিয়ে দিতে হবে এবং ভাল করে নাড়াচাড়া করতে হবে যাতে আলুগুলি দুধের মধ্যে ভাল করে মিশে যায় এবং দলা পাকিয়ে যেন না থাকে।সেই ভাবেই নাড়তে থাকুন।

৪) দুধকে ফুটে গাঢ় হতে দিতে হবে এবং মাঝে মাঝে এক-দুবার নেড়েচেড়ে দিতে হবে। বেশ কিছুক্ষণ ফোটার পর, দুধ যখন কিছুটা ঘন হয়ে যাবে তখন আলু সিদ্ধ হয়েছে কিনা তা বোঝার জন্য একটি চামচের সাহায্যে একটু আলু তুলে চেখে দেখে নিতে হবে। যতক্ষণ না আলু সম্পুর্ন সিদ্ধ হচ্ছে ততক্ষণ এইভাবেই পায়েসকে ফুটতে দিতে হবে।

আলু সিদ্ধ হয়ে গেলে তাতে নকুল দানা ও মিঠাই মেট দিয়ে দিতে হবে ও নাড়াচাড়া করতে হবে। এরপর, তাতে ৬-৮টি কাজু ভেঙে দিয়ে দিতে হবে ও হাল্কা করে নাড়াচাড়া করতে হবে।

কিছুক্ষণ পর পায়েস আরো গাঢ় হয়ে গেলে, তা নামিয়ে নিতে হবে। এরপর, একটি স্ক্রাপারে অবশিষ্ট কাজুগুলিকে ঘষে নিয়ে, ঘষা কাজুগুলি উপর থেকে তাতে দিয়ে দিতে হবে এবং সবশেষে উপর থেকে জাফরান ছড়িয়ে দিতে হবে। ব্যাস, তৈরি হয়ে গেল আলুর পায়েস।

আলুর পায়েসকে কিছুক্ষন ফ্রিজে রেখে ভাল করে ঠান্ডা করে সবাইকে পরিবেশন করতে হবে। রোগা মানুষরা নিয়মিত খেলে গায়ে মানশ লাগবে।

 

Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on email
Share on telegram
Share on linkedin