Newsbazar24:: দুলাল সরকার খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড়। খুনে ৫০ লক্ষ টাকার সুপারি দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি রাজ্য পুলিশের এডিজি আইন শৃঙ্খলা সুপ্রতীম সরকারের।
মঙ্গলবার দুপুর থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত দীর্ঘ ম্যারাথন জেরা শেষে তৃণমূলের টাউন সভাপতি নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারি ও স্বপন শর্মাকে গ্রেপ্তার করে ইংলিশ বাজার থানার পুলিশ।
রাজ্য পুলিশের তরফে এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে এডিজি আইন-শৃঙ্খলা সুপ্রতিম সরকার জানান, দুলাল সরকার খুনের ঘটনা এ পর্যন্ত সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে ধৃত পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কিছু তথ্যের ভিত্তিতে নরেন্দ্রনাথ ও তার ভাইদের থানায় ডেকে পাঠানো হয়েছিল। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে নরেন্দ্রনাথ ও স্বপনকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত দুজনেই তৃণমূল কাউন্সিলরকে খুন করতে বাবলু যাদবদকে ৫০ লক্ষ টাকার সুপারি দিয়েছিল। খুনের আগে রেকি করে দুষ্কৃতীরা। গোটা ঘটনায় স্বপন শর্মাকেই মূল চক্রী হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি। এর বিরুদ্ধে বোমাবাজি, খুন, দাঙ্গা হাঙ্গামায় তা অজস্র অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়ে, খুনের পিছনে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি সামনে এসেছে। এদিন নরেন্দ্রনাথ এবং স্বপনকে আদালতে হাজির করানো হলে তিন দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। এ বিষয়ে
সরকারি আইনজীবী দেবজ্যোতি পাল বলেন,এটা রাজনৈতিক খুন। তিনি আরো জানান, আর্থিক লেনদেন ফোনের কল রেকর্ডিং ইত্যাদি দেখে ওই দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তের প্রয়োজনে দু’জনকে হেফাজতে নেওয়া প্রয়োজন।
ধৃতদের আইনজীবীরা আদালতে জানান, তাঁদের মক্কেলরা শারীরিক ভাবে অসুস্থ। তাই তাদের জামিন মঞ্জুর করা হোক। পাল্টা সরকারি আইনজীবী বলেন, দুলাল সরকারের খুনের ঘটনায় বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। আরো জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই দুজনকে পুলিশি হেফাজতের প্রয়োজন। আদালত সেই আবেদন মেনে তিন দিনের পুলিশে হেফাজত মঞ্জুর করেছে।
এ বিষয়ে ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী জানান, এটা সকলেই জানেন দুলালকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছিলেন নরেন্দ্র নাথ তেওয়ারি। এলাকার দখল নিয়ে দুই নেতার বিরোধ ছিল বলে দাবি করেন তিনি। পাল্টা আদালতে প্রবেশ করানোর সময় ধৃত নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারি আবারও দাবি করেন তাকে ফাঁসানো হয়েছে। এর পেছনে বড় মাথা রয়েছে।



