news bazar24: বিধানসভায় আবারও অস্থিরতা। সোমবার হঠাৎ করেই চার বিজেপি বিধায়ককে বরখাস্ত করলেন স্পিকার। বিধানসভা সূত্রে জানা গেছে, অগ্নিমিত্র পাল, শঙ্কর ঘোষ, দীপক বর্মণ এবং মনোজ ওঁরাকে পুরো অধিবেশন থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এর আগে গত সোমবার অধিবেশন চলাকালীন বিজেপি বিধায়ক মনোজ ওরাকেও বরখাস্ত করা হয়েছিল। এক সপ্তাহ পরেও পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হয়নি। এবার পদ্ম বিধায়কদের সরাসরি এই অধিবেশনের জন্য বরখাস্ত করা হয়েছে।
এই চার বিধায়ককে বরখাস্ত করা হলেও, তারা ওয়াকআউটের দিকে অগ্রসর হননি। তারা শাসক দলের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন। সেই সময়, সেই সময় তাদের টেনেহিঁচড়ে সভা কক্ষ থেকে বের করে মার্শাল টিম। কিন্তু কোন সূত্র ধরে উত্তাল হল পরিস্থিতি ?
১৯৪১ সালের মতো ২০২৫-ও কি অভিশপ্ত হয়ে উঠবে? ক্যালেন্ডার তো তাই বলছে
বিধানসভা থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, বিধায়ক অশোক লাহিড়ী প্রশ্ন তোলেন কেন আগের অধিবেশনে বিজেপি বিধায়কদের বক্তব্য সম্পাদনা বা মুছে ফেলা হয়। সেই সময়, রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য শাসক দলের পক্ষে দাঁড়িয়ে বলেন যে স্পিকারের সিদ্ধান্তে বিজেপি বিধায়কদের বক্তব্য সম্পাদনা করা হয়েছে।
তারপর বিজেপি বিধায়করা শাসক শিবিরের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। স্লোগান উঠতে থাকে। প্রতিবাদে তারা কাগজপত্র ছিঁড়ে ফেলেন। তৃণমূলের বিধায়করাও জবাবে চিৎকার শুরু করেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্পিকার উঠে দাঁড়ান। তিনি সকলকে সংযম প্রদর্শনের জন্য অনুরোধ করেন। এমনকি তিনি সতর্ক করে দেন যে বিজেপি বিধায়কদের সাসপেন্ড করা হবে। কিন্তু তারপরও স্লোগান ও পাল্টা স্লোগান থামেনি। স্পিকার তাৎক্ষণিকভাবে চার বিধায়ককে বরখাস্ত করেন।
স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন যে বিজেপি বিধায়করা অশান্ত বিধানসভায় কেবল স্লোগানই দেননি, মাইক্রোফোন ও টেবিলও ভেঙে ফেলেছেন। অন্যদিকে, বিধানসভার নিরাপত্তারক্ষীরা বিজেপি বিধায়কদের ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়ার পর তারা গাড়ির বারান্দায় জড়ো হন। সেখানে তারা প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। তারা শাসক দলের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলেন। সেই সময় তাদের হাতে ‘নীরব বিধানসভা চলছে’ লেখা একটি প্ল্যাকার্ডও দেখা যায়।
এদিন বিধানসভার প্রধান পর্যবেক্ষক এবং বর্তমানে এই অধিবেশন থেকে বরখাস্ত বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের মেঝেতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। তারা মহিলা বিধায়কদের উপরও হাত তুলেছিলেন। তারপর তাদের ঘর থেকে টেনে বের করে দেওয়া হয়েছিল। আগের দিনও একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল।’





