newsbazar24 : এই চলতি বছরে শিলচর চেংকুড়ি রোডের বাসিন্দা জ্যোতিষী ও বাস্তুসম্রাট ডা.রত্নবিজয় চক্রবর্তী তামিলনাড়ু সরকারের গভর্নরের হাত থেকে পদ্মশ্রী সুর মানে ভূষিত হন। তিনি সুদীর্ঘ বছর থেকে এই জ্যোতিষশাস্ত্রের অধ্যয়ন সহ কাজ করে আসছেন এবং বেশ কয়েকটি পুরস্কার সহ সোনার পদক পেয়েছেন বলে জানান ডা.রত্নবিজয় ভট্টাচার্য্য। তিনি জানান,জ্যোতিষশাস্ত্র একটি জটিল বিদ্যা, যা সঠিক জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতার সাথে আয়ত্ত করতে হয়। এটি মানুষের জীবনে বিভিন্ন দিক সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে, কিন্তু এর ভবিষ্যদ্বাণীগুলি সম্পূর্ণভাবে নির্ভুল নাও হতে পারে।
তিনি গ্ৰহরত্নের পাথর ছাড়াই প্রাকৃতিক দ্রব্যের ব্যবহারের মাধ্যমে কিভাবে গ্ৰহের প্রতিকার করা যায় হাতে-কলমে দেখিয়ে দিয়েছেন,মঙ্গলগ্ৰহের প্রতিকারের জন্য একটি লাল জবা ফুলকে সকালে একটি গ্লাসে গরম জলের মধ্যে পাঁচ মিনিট ডুবিয়ে রেখে পরে জবা ফুলটিকে সরিয়ে নিয়ে জলটি সেবন করলে মঙ্গলের কু-প্রভাব থেকে সহজেই মুক্তি লাভ পাবেন এবং বিভিন্ন ধরনের ফুলের মাধ্যমে অন্যান্য গ্ৰহ দোষ থেকে মুক্তি পাওয়া যায় বলে জানান।এই জ্যোতিষবিদ্যা অর্জন করেছেন গরিব মানুষদের সহজেই গ্ৰহ দোষ থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করার জন্য।
পাশে থাকা বাস্তুসম্রাট গৌতম চক্রবর্তী জানান,বাস্তুশাস্ত্রের ইতিহাস হাজার হাজার বছর প্রাচীন গ্রন্থ সমুহতে খুঁজে পাওয়া যায়। বাস্তুশাস্ত্রের উল্লেখ স্থাপত্য বেদের মধ্যে পাওয়া যায়, স্থাপত্য বেদ চারটি উপবেদের একটি । স্থাপত্য বেদে নকশা এবং নির্মাণের উল্লেখ রয়েছে, যা মানুষ, প্রকৃতি এবং নির্মিত পরিবেশের মধ্যে সামঞ্জস্যের বজায় রাখে।তাই ঘর নির্মাণের সময় যেকোনো মানুষকে বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী বানালে শান্তি ও সমৃদ্ধি আসে বলে জানান।






