Newsbazar24:ষষ্ঠ পে কমিশনের রিপোর্টে ডিএ নিয়ে রাজ্য কর্মচারীরা বিরাট ধাক্কা খেলেন। অর্থনীতিবিদ অভিরূপ সরকারের নেতৃত্বে গঠিত ষষ্ঠ পে কমিশন রিপোর্ট দিয়েছে, রাজ্য সরকার তার তহবিল অনুযায়ী ডিএ দিতে পারে।কেন্দ্রীয় সরকারের পে কমিশন মেনে ডিএ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।অর্থাৎ সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্য (কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স )অনুযায়ী ডিএ দেওয়ার দরকার। অর্থাৎ তিনি একজন অর্থনীতিবিদ হয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের ঘোষিত কনজিউমার প্রাইস ইন্ডেক্স অনুয়ায়ী ডিএ ভোগ করার পরেও কি করে এই সুপারিশ করলেন তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা।
যদিও রাজ্য কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ ভাতার।। সম্প্রতিই সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যকে বকেয়া ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। তবে এটা ছিল পঞ্চম বেতন কমিশন সম্পর্কিত। ২০০৯ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত যে মহার্ঘ ভাতা বকেয়া রয়েছে, তা পঞ্চম পে কমিশনের অধীনে।
আদালতের নির্দেশে ষষ্ঠ পে কমিশনের যে রিপোর্ট ২০১৫ সালে প্রকাশিত হয়েছিল প্রকাশে সেখানে দেখা যাচ্ছে , কেন্দ্রীয় সরকারের পে কমিশন মেনে ডিএ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। রাজ্য নিজের তহবিল অনুযায়ী ডিএ দিতে পারে। কর্মচারীদের অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে।
এই বিষয়ে কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্টের প্রতিনিধি মলয় মুখোপাধ্যায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, তিনি একজন অর্থনীতিবিদ হয়ে, নিজে এখনো কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স অনুযায়ী কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ ভাতা পেয়ে রাজ্য কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এই সুপারিশ কি করে করলেন এটাই আমাদের প্রশ্ন।
তিন বছর ধরে কমিশনের চেয়ারম্যানের পদে বসে, কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা নিয়ে রাজ্য সরকারকে তুষ্ট করতে এই কথা বলেছেন। ছিঃ অভিরূপ বাবু আপনি একজন অর্থনীতিবিদ
অর্থনীতির সংজ্ঞা আপনি মানলেন না।আমাদের সংগঠন আপনাকে ধিক্কার জানাচ্ছে । তিনি অর্থনীতিবিদ হয়ে কী করে এই কথা বলতে পারলেন।
প্রসঙ্গত এতদিন পে কমিশনের যে রিপোর্ট বেরিয়েছে, তাতে বলা হয়েছে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্সের হারে ডিএ দিতে বাধ্য। এমনকি সর্বোচ্চ আদালত এই কথা মেনে নিয়েছে।






