Newsbazar24:তৃণমূলের অবজারভার থাকাকালীন রহিম বক্সি আমার গাড়ির দরজা খুলে দিত, আইসিডিএসের চাকরি বিক্রি করেছে মালদহের চাঁচলের সভায় বিস্ফোরক শুভেন্দু।
মালদার চাঁচলের কলমবাগানমাঠে বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প যাত্রার জনসভার মঞ্চে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তার পুলিশ প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, কি শেষ পর্যন্ত চাচলে সভা হলো তো? তিনি বলেন আবারও হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে আমাকে চাচলে সভা করতে হচ্ছে। “এই নিয়ে আদালতের অনুমতিক্রমে ১০৪টা সভা হল আমার।” তিনি বলেন নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে গোটা ভারত বর্ষ গেরুয়ায় রঙিন হয়েছে। তারপরেও পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিকে সভা করতে দেবে না। তিনি বলেন শেষ পর্যন্ত সভাটা হলো তো। এই এসডিও অনেক চেষ্টা করেছেন সব আটকাবার।বিহার, ওড়িশার পর বাংলায় বদল হবে বলে দাবি করলেন শুভেন্দু। ষ পাশাপাশি তিনি চাচলের এসডিওকেও হুঁশিয়ারি দেন। এপ্রিল মাসে দেখা হবে বলে তিনি জানান।
এর পরে আগামী ২০২৬-এর নির্বাচনে বাংলায় ডবল ইঞ্জিন সরকার আনার আবেদন জানিয়ে বলেন, “ছাপ্পা মেরে, ভোট লুঠ করে, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভোট নিয়ে ২০২৪ সালের নির্বাচনে আমাদের সঙ্গে ওদের ফারাক ৪০ লক্ষ। আর এসআইআরে ইতিমধ্যে ৫৮ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে। ভোটার তালিকা থেকে আরও রোহিঙ্গা, অনুপ্রবেশকারীর নাম বাদ যাবে।
তৃণমূলের মালদা জেলা সভাপতি রহিম বক্সিকে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন,তাঁকে মালদহে ঢুকতে দেবেন না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তৃণমূলের মালদহ জেলার সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী। এদিন মালদহের চাঁচলের কলমবাগান মাঠে পাল্টা আব্দুর রহিমকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন,’বড় বড় কথা । ছ ফুট লম্বা, এখানকার মুখ্যমন্ত্রী মনে করে নিজেকে রহিম বক্সি। বড় বড় কথা, ঢুকতে দিবে না । গাছে বেঁধে রাখবো, পা ভেঙে দেবে, মাথা গুঁড়িয়ে দেবে । তোর বাপের নাম যদি ঠিক থাকে কলমবাগানে আয়, দাঁড়িয়ে আছি ।’
আরএসপি করত। আইসিডিএসের চাকরি বিক্রি করত। আমি যখন তৃণমূলের এই জেলার অবজার্ভার ছিলাম, তখন আমার গাড়ির দরজা খুলে দিত।”
তৃণমূলের এখানে যারা নেতা ছিল হামিদ ভাই, মালতিপুরের ইন্দাত ভাই,রফিকুলরা বলছে ‘ঐ মালটা চোর দাদা একে নেবেন না’ । দেড় বছর ধরে গাড়ির দরজা খোলে আর বন্ধ করে । বড় বড় কথা! ওর থেকে ওর ব্যাটার আবার বড় বড় কথা ।’
মালতীপুরে রহিম বক্সীকে হারানোর চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি বলেন, “মালতীপুরে কে জিতবে আমি জানি না। তবে রহিমকে আমি জিততে দেব না।
এসআইআর-র কী হতে চলেছে, তার ট্রেলারটা দেখেছেন তো দিল্লিতে। তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড এখন থেকে বলছে, এই ভোটার লিস্ট মানি না। ১৪ ফেব্রুয়ারির পর থেকে তৃণমূলের সবাই এই কথা বলবে।” বিজেপির আসন সংখ্যা নিয়ে তিনি বলেন, “এই রাজ্যে দুটি জায়গায় একজোট হয়েছে সনাতনী হিন্দুরা। উত্তর মালদহ ও নন্দীগ্রাম। আমার আশা মালদহ থেকে আরও দুটো আসন পাব।”





