নিউজ বাজার২৪ ডেস্ক ঃ গত রবিবার রাতেদক্ষিণ কলকাতার গোলপার্ক এলাকার কাঁকুলিয়া রোডে গত রবিবার রাতের ভয়াবহ সংঘর্ষ ও বোমাবাজির ঘটনায় পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এই মামলায় মোট ১৯ জনকে গ্রেফতার করা হল তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে যে সংঘর্ষ বেধেছিল, সেই দুই গোষ্ঠীর মূল ‘মাথা’রা এখনও অধরা
গত রবিবার রাতের গোলমালের পর থেকে না অভিযুক্তদের খোঁজে লাগাতার অভিযান চালাচ্ছে রবীন্দ্র সরোবর থানার পুলিশ। সর্বশেষ যে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের নাম রাকেশ বণিক এবং রাজীব দাস ওরফে সোনু । উভয়েই রবীন্দ্র সরোবর থানা এলাকার পঞ্চাননতলা রোডের বাসিন্দা। রবিবারের তাণ্ডবের ঘটনার পর সেই রাত থেকেই অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। ওই রাতেই গ্রেফতার করা হয় ১০ জনকে। পরে সোমবার রাতের পুলিশি অভিযানে গ্রেফতার করা হয় আরও চার জনকে। সব মিলিয়ে গোলপার্ক কাণ্ডে ধৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯।
ঘটনা কি ঘটেছিল?
গত ১ ফেব্রুয়ারি, রবিবার রাতে গোলপার্কের কাছে পঞ্চাননতলায় একটি ক্লাবের পিকনিক চলাকালীন দু’টি গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা শুরু হয় অভিযোগ, সেই সময় প্রায় ১০০-১৫০ জন দুষ্কৃতী এলাকায় চড়াও
মুড়িমুড়কির মতো বোমা ছুড়তে থাকে এবং অন্তত এক রাউন্ড গুলি চালানো হয় । দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবে পুলিশের গাড়ি-সহ একাধিক বাইক ও চারচাকা ভ্যান ভাঙচুর করা হয়। এই ঘটনায় গণেশ দাস ও সনৎ সিং নামে দু’জন গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে চিকিৎসাধীন।
এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের নেপথ্যে তৃণমূল আশ্রিত কুখ্যাত দুষ্কৃতী সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দারের নাম উঠে এসেছে। পুলিশ যখন তাকে হন্যে হয়ে খুঁজছে, তখনই গতকাল, মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভে এসে সোনা পাপ্পু দাবি করেন, ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে মাঘী পূর্মিমায় পুজো করছিলেন। এমনকি তাকে ফাঁসানো হচ্ছে বলে পুলিশকে পাল্টা চ্যালেঞ্জও ছুড়ে দেন তিনি।
বর্তমানে পরিস্থিতি কি অবস্থায় রয়েছে
কলকাতা পুলিশের জয়েন্ট সিপির নেতৃত্বাধীন গোয়েন্দা দল এবং রবীন্দ্র সরোবর থানার পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে বাকি অভিযুক্তদের শনাক্ত করছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর, অস্ত্র আইন এবং খুনের চেষ্টার ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। বাবুসোনা গ্রেফতার হওয়ার পর পুলিশের আশা, সোনা পাপ্পুর সঠিক ডেরার হদিশ দ্রুত পাওয়া যাবে। এখন দেখা যাক পুলিশ সোনা পাপ্পুর হদিস পায় কিনা নাকি রাজনৈতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার করে





