Share on whatsapp
Share on twitter
Share on facebook
Share on email
Share on telegram
Share on linkedin

কোন্নগরের বারো মন্দির ঘাটে হবে সন্ধারতি

Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on email
Share on telegram
Share on linkedin

Newsbazar24:কয়েকদিন আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন হরিদ্বারের মত এরাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় গঙ্গা আরতির ব্যাবস্থা করা হোক। ফিরহাদ হাকিমকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন গঙ্গার ঘাট গুলো দেখার জন্য। সেই মত গতকালই কলকাতায় গঙ্গার ঘাট পরিদর্শন করেন পুর মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। অনেক মানুষ সন্ধারতি দেখতে পারবেন এমন ঘাট কলকাতায় পাওয়া খুবই সমস্যা। শহরতলীর গঙ্গাঘাট গুলোতে সেই সমস্যা কম।
মুখ্যমন্ত্রীর ইচ্ছানুযায়ী কোন্নগর পুরসভার পক্ষ থেকে বারো মন্দির ঘাটে সন্ধারতির ব্যবস্থা করা হয়। আগামী বৃহস্পতিবার প্রতিপদ থেকে শুরু হবে সন্ধারতি।
মঙ্গলবার নারকেল ফাটিয়ে শাঁখ ঘন্টা বাজিয়ে গঙ্গা পুজোর মধ্য দিয়ে সন্ধারতির কথা ঘোষনা করেন কোন্নগর পুরসভার চেয়ারম্যান স্বপন দাস।
এদিন বারো মন্দিরের পুরোহিত শঙ্কর ব্যানার্জি বলেন, গঙ্গার পশ্চিমকুল বেনারসের সমতুল। বারো মন্দিরে বারোটি শিবলিঙ্গ আছে। বহু প্রাচীন এই ঘাট। কোন্নগর পুরসভা থেকে যে সন্ধারতির ব্যবস্থা করা হয়েছে তা খুবই ভাল। গঙ্গোত্রী থেকে সৃষ্টি হয়ে উত্তরাখণ্ড, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ঝাড়খণ্ড হয়ে পশ্চিমবঙ্গের গঙ্গা সাগরে মিশেছে। মা গঙ্গাকে আরাধনা করার জন্যই গঙ্গা আরতি। কোন্নগর পুরসভার চেয়ারম্যান বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণার পর কোন্নগর পুরসভার কাউন্সিলর, মহকুমা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে ঘাট নির্দিষ্ট করা হয়। কোন্নগরের প্রাচীন বারো মন্দির ঘাটে মহাদেবের দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গ আছে। সাধারণত সন্ধ্যায় এই ঘাটে বহু মানুষ আসেন। মুখ্যমন্ত্রীর ইচ্ছানুযায়ী সন্ধারতির ব্যবস্থা করা হয়েছে। আশা করা যায় আগামী দিনে হুগলি জেলার মধ্যে কোন্নগরের গঙ্গা আরতি দর্শনীয় স্থান হিসাবে জায়গা করে নেবে।

Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on email
Share on telegram
Share on linkedin