কার্ত্তিক পাল;কাজের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে ভারতে এসে আরপিএফ এর হাতে ধরা পরল দুই বাংলাদেশি যুবতী এবং তাদের সাথে গ্রেফতার করা হলো এক ভারতীয় যুবককে। যাত্রী সেজে চলন্ত ট্রেনে যাওয়ার সময় গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে আরপিএফ তাদেরকে আটক করে। তারপর আরপিএফ তাদেরকে মালদা টাউন জিআরপির হাতে তুলে দেয়। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে শিলচর-কোয়েম্বাটুর এক্সপ্রেস ট্রেনে। বৃহস্পতিবার ধৃত তিনজনকেই সাত দিনের জেল হেফাজতের আবেদন জানিয়ে মালদা জেলা আদালতে পেশ করল জিআরপি।
ধৃত তিনজনের মধ্যে দুইজন বাংলাদেশের অপর একজন ভারতীয়। জেরায় জানা গেছে, কাজের প্রলোভন দেখিয়ে ওই তরুণীদের অবৈধভাবে সীমান্ত পার করিয়ে ব্যাঙ্গালোরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।
জিআরপি সূত্রে জানা গেছে, ধৃত দুই বাংলাদেশি যুবতীর মধ্যে একজনের নাম সাইমা আক্তার এবং অপরজনের নাম সৌমিয়া আক্তার।দুজনেই বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জের কিশোরগঞ্জ এলাকার বাসীন্দা। এবং তাদের সঙ্গে ধরা পড়া ভারতীয় যুবকের নাম ইমরান হোসেন। বাড়ি অসমের বোরো কালা থানা কোচার বাজার এলাকায়। তারা তিনজনে মিলে অসমের গুয়াহাটি থেকে শিলচর-কোয়েম্বাটুর এক্সপ্রেস ট্রেন ধরে কাজের উদ্দেশ্যে বেঙ্গালুরু যাচ্ছিল। যা আর.পি.এফ বিশেষ সূত্রে জানতে পারে এবং বুধবার রাতে তাদের মালদা টাউন স্টেশনে চলন্ত ট্রেন থেকে পাকড়াও করে। পরে ধৃত তিনজনকে তুলে দেয় জিআরপির হাতে। ঘটনার নেপথ্যে কোনো আন্তর্জাতিক পাচারচক্র জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
জিআরপি আইসি প্রশান্ত রায় জানিয়েছেন, ধৃতদের আদালতে পেশ করে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানানো হয়েছে। অনুপ্রবেশ ও পাচার রোধে স্টেশন চত্বরে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে।





