Newsbazar24 Desk:বুধবার মুর্শিদাবাদ জেলার ফরাক্কার বিডিও অফিস ও অফিস চত্বরে এসআইআর শুনানি ক্যাম্পে ব্যাপক ভাঙচুর চালালো ফারাক্কার তৃণমূলের বিধায়ক মানিরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে তৃণমূলের লোকজন। ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয় চেয়ারপত্র । পরে দলীয় কর্মীদের সাথে বিডিও অফিসের প্রবেশপথ অবরুদ্ধ করে “এসআইআর মানছি না, মানবো না” শ্লোগান তোলেন ফারাক্কার তৃণমূল বিধায়ক মনিরুল ইসলাম ।
জানা গেছে ঘটনার সূত্রপাত, বিএলও-দের বিক্ষোভ ঘিরে। তাঁদের অভিযোগ, এসআইআর প্রক্রিয়ার নামে সাধারণ মানুষকে নথি নিয়ে বার বার হয়রানি করা হচ্ছে। বিএলও-রা যখন পদত্যাগ করতে চান, তখনই বিডিও অফিসে প্রবেশ করেন তৃণমূল বিধায়ক।
অবিলম্বে এসআইআর প্রক্রিয়া বন্ধ করতে হবে। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের নামে ভাগাভাগির চেষ্টা চলছে। এমনই অভিযোগ তুলে দলবল নিয়ে বিডিও অফিসে ঢুকে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিধায়কের মানিরুলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিডিও অফিস চত্বরে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
সরকারি অফিস ভাঙচুরের নেতৃত্ব দিচ্ছেন খোদ শাসকদলেরই বিধায়ক, যা ঘিরে তুমুল বিতর্ক
বিক্ষোভের জেরে বন্ধ হয়ে গেল শুনানি। পরে নির্বাচনের কমিশনের নির্দেশে দায়ের হয়েছে এফআইআর। ভাঙচুরে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন দু’জন।
বিধায়কের অভিযোগ, ”এসআইআরের নামে রাম আর রহিমের মধ্যে বিবাদ বাধানো হচ্ছে। কারও নাম রাম শুনলে কোনও নথি লাগছে না। রহিমের নাম শুনলেই চোদ্দো গুষ্টির খতিয়ান চাইছেন! নির্বাচন কমিশনের এই দ্বিচারিতা মানব না। ফরাক্কার মানুষকে বাঁচাতে গিয়ে যদি গুলি খেতে হয়, মনিরুল ইসলাম আগে গুলি খাবে।’
মুর্শিদাবাদের বিজেপি বিধায়ক গৌরীশঙ্কর ঘোষ এই ঘটনার নিন্দা করে বলেন,’মানুষকে বিভ্রান্ত করতে নাটক করছে তৃণমূল। তৃণমূল বিধায়কের নেতৃত্বে বিডিও অফিস ভাঙচুর হয়েছে আর পুলিশ দাঁড়িয়ে-দাঁড়িয়ে দেখছে। এটাই এই রাজ্যের অবস্থা।




