Newsbazar24:প্রকাশ্য দিবালোকে মালদহের কালিয়াচকে চলল বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি । বুধবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটে মোজামপুর অঞ্চলের বালু গ্রাম ঠগপাড়াতে। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে স্থানীয় এসডিপিও সহ পুলিশ বাহিনী। গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এদিন কালিয়াচক থানার মোজামপুর অঞ্চলের বালুগ্রাম ঠগপাড়াতে তৃণমূল নেতা আসরাফুল শেখের বাড়ি লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা প্রায় ১৫ থেকে ২০ রাউন্ড গুলি চালায় বলে অভিযোগ। পাশাপাশি তৃণমূলের অঞ্চল সদস্য সৈয়দ আলীর বাড়ি লক্ষ্য করে পাঁচ রাউন্ড গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। শেষ খবর পাওয়া অবধি, এই ঘটনাতে তিন জনকে আটক করেছে পুলিশ।
এর আগে বিকালে নিখোঁজ হওয়ার পর সকালে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক ব্যবসায়ীর মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ায় মালদহের কালিয়াচকে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
মৃতের নাম ছিল ওবাইদুল্লা খান, বাড়ি কালিয়াচক থানার কলেজ মোড় বাথান এলাকায়।। জানা যায়, মৃত কয়লা ব্যবসায়ী সক্রিয়ভাবে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে।
ঘটনাস্থল থেকে মৃত ব্যবসায়ীর বাইকটিও উদ্ধার করা হয়েছে।
মৃত ব্যবসায়ীর পরিবারের দাবি, রবিবার বিকেলে বাইক নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন ওবায়দুল্লা খান। দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুজির পর তাঁর খোঁজ না মেলায় কালিয়াচক থানায় নিখোঁজ অভিযোগ দায়ের করা হয়। এরপরই সকালে মালদহের ইংরেজবাজার থানার কাটাগর এলাকায় তাঁর গুলিবিদ্ধ ও রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, ওবায়দুল্লাকে অপহরণ করার পর নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে। তবে কে বা কারা, কেন এই খুন করেছে, তা এখনও পরিবারের কাছে স্পষ্ট নয়। ব্যবসায়িক শত্রুতার কারণে এই খুন কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ইংরেজবাজার থানা ও কালিয়াচক থানার পুলিশ। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এই ঘটনার খবর পেয়ে মৃত ওই ব্যবসায়ীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যান রাজ্যের মন্ত্রী তথা স্থানীয় বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিন।





