Newsbazar24:অনেকদিন ধরেই এই আরামবাগের তিরোলে বাঘের গুজব কে কেন্দ্র করে চাপা উত্তেজনা। তিরল ও তার পার্শ্ববর্তী অন্যান্য এলাকায় এই পরিস্থিতি সামাল দিতে পথে নামতে হল আরামবাগ বন দফতরকে ।রীতি মত মাইকিং করে প্রচার করা হয় যাতে কেউ গুজব না ছড়ায়। যদিও কিছু মানুষের দাবী বাঘ বা কোনো হিংস্র জন্তু নাকি ওই এলাকায় ঢুকেছে এবং চারিদিকে প্রাণীদের খাওয়া রক্ত নাকি পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এবং একটি ভাইরাল হওয়া সিসিটিভি ফুটেজও নাকি ওই জন্তুর ছবি ধরা পড়েছে। যদিও অনেকটাই অস্পষ্ট। এর ফলে ওই এলাকার মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক দেখা যায। তিরল সহ পার্শ্ববর্তী এলাকার শিক্ষার্থীদের স্কুল ,পাঠশালায় পাঠাতেও ভয় পাচ্ছেন বাড়ির অভিভাবকেরা। যদিও বনদপ্তর প্রথম থেকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা জারি করেছে, তবুও ভয় যেনো কাটতেই চাইছে না। ওই অজানা জন্তু কে ধরতে বনদপ্তরের তরফ থেকে নানারকম কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে। যাতে করে তাদের করা ফাঁদে পা দেয় ও ধরাও পড়ে। কিন্তু বেশ কয়েকদিন ধরেই লক্ষ্য করা যাচ্ছে ওই অদৃশ্য জন্তুকে আর দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না। এই বিষয়ে ওই এলাকার ফরেস্ট রেঞ্জার অফিসার আশরাফুল জানান , এই এলাকায় কোন বাঘ বা কোন হিংস্র জন্তু ঢোকার মত কোনো করিডোর নেই। তাই এই এলাকায় বাঘ ঢুকলে অনেক মানুষেরই চোখে পড়ত। কোন কোন মানুষের বক্তব্য ওই জন্তু বাঘ হওয়ার সম্ভবনা নেই। কিন্তু বাঘরোল হলেও হতে পারে। ঘটনা যাই হউক, বনদপ্তরের তরফ থেকে মাইকিং প্রচারের মাধ্যমে এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে গুজবে কান না দিয়ে নিত্যদিনের কাজে মনযোগ দিতে। বনদপ্তরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে আমরা আপনাদের সাথে আমরা সব সময় আছি।
তা সত্বেও আতঙ্ক পিছু ছাড়ছে না গোটা তিরল অঞ্চলের মানুষের। পুকুরে বাছুর ,গরুর মাথা ভাসছে , এলাকায় কমছে ছাগল হাঁস ও মুরগি এই রকমই অভিযোগ গ্রামবাসীদের।
বনদপ্তরের কর্মীরা এসে বাঘধরা খাচা রেখে গেছে সেই খাঁচাতে ধরা পড়েনি এখনও বাঘ। কিন্তু চারিদিকে বাঘের পা দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। বনদপ্তরের কর্মীরা এদিন গ্রামের চারিদিকে ঘোরাফেরা করছে। বারংবার চলছে সতর্ক মূলক প্রচার।





