Newsbazar24;রাজ্যে শাসক এবং বিরোধী দুই পক্ষই আগামী বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটের প্রচারে ইতিমধ্যেই নেমে পড়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা অমিত শাহ রাজ্যে দলীয় নেতা ও কর্মী সমর্থকদের সাথে সভা করে ভোটের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন এরই অঙ্গ হিসাবে বিরোধী দলনেতা এবং রাজ্যে বিজেপির অন্যতম মুখ শুভেন্দুও নিয়মিত রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সভায় যোগ দিচ্ছেন। আগামী দোসরা জানুয়ারি মালদায় সভা করতে চেয়ে প্রশাসনের অনুমতি না মেলায় সভা করার অনুমতি চেয়ে বিজেপি নেতৃত্বের তরফে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দাখিল করা হয়।
ইতিমধ্যে আদালত শুভেন্দুকে মালদহের চাচলে সভা করার জন্য শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দিয়েছে। অর্থাৎ আগামী ২ জানুয়ারি চাঁচলের কলম বাগানে সভা করতে আসছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
বিচারপতি বিশ্বরূপ চৌধুরী জানান আদালত শুভেন্দু কে সভা করার অনুমতি দিলেও বেশ কিছু শর্ত বেঁধে দিয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, দুপুর একটা থেকে বিকেল তিনটে পর্যন্ত মোট দুই ঘণ্টা সভা করতে হবে। সভায় নয় হাজারের বেশি মানুষের জমায়েত করা যাবে না। এছাড়াও ৭০টির বেশি লাউডস্পিকার ব্যবহার করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। সভাস্থলে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব পুলিশ-প্রশাসনকেই নিতে হবে বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্বাভাবিকভাবেই আদালতের এই অনুমতিতে বিজেপি এবং তৃণমূল চাপানো উতোর শুরু হয়েছে।
বিজেপি নেতৃত্ব ইতিমধ্যে মালদার চাঁচলের কলম বাগানে শুভেন্দুর সভার জন্য মঞ্চ তৈরির প্রস্তুতি শুরু হয়েছে জোর কদমে। ‘শুভেন্দু অধিকারীকে সভা করতে না দেওয়ার ষড়যন্ত্র করেছিল তৃণমূল । তৃণমূলের গালে থাপ্পড় পড়েছে’ বলে কটাক্ষ করেছে জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। অন্যদিকে, পাল্টা বিজেপিকে তোপ দেগে তৃণমূল বলেছে, ‘এই অঞ্চল অশান্ত করতে আসছে। বিভাজনের রাজনীতি করবে।’ এরই মধ্যে এই সভাকে কেন্দ্র করে চাঁচল ও সংলগ্ন অঞ্চলে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করতে শুরু করেছে পুলিশ-প্রশাসন।



